Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
জনসন অ্যান্ড জনসন

অবসাদগ্রস্তদের জন্য অভিনব স্প্রে আনছে জনসন অ্যান্ড জনসন, রুখে দেওয়া যাবে আত্মহত্যার প্রবণতা!

ফল মিলবে দ্রুত, দাবি কোম্পানির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২০, ১৭:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২০, ১৭:৫৪

options
link
অবসাদগ্রস্তদের জন্য অভিনব স্প্রে আনছে জনসন অ্যান্ড জনসন, রুখে দেওয়া যাবে আত্মহত্যার প্রবণতা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মারণ করোনা ভাইরাস (Coronavirus) শুধু শরীরেই থাবা বসাচ্ছে না, মানসিকভাবেই চূড়ান্ত ক্ষতি করছে। কোভিডের কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অবসাদ, মানসিক সমস্যা। বাড়ছে আত্মহননের প্রবণতাও। আমেরিকায় সেই সংখ্যাটা রীতিমতো উদ্বেগজনক। আর সেই কথা মাথায় রেখে অনন্য এক আবিষ্কার জনসন অ্যান্ড জনসনের (Johnson & Johnson)। প্রথমবার অবসাদ দমনের স্প্রে হিসেবে ছাড়পত্র পেল এই কোম্পানির একটি নাকে দেওয়ার স্প্রে।

খাদ্য ও ওষুধ বিষয়ক প্রশাসনিক বিভাগ (Food and Drug Administration) এই বিশেষ স্প্রে-কে ছাড়পত্র দিয়েছে। অর্থাৎ শীঘ্রই মার্কিন মুলুকের বাজারে দলে আসবে অবসাদ তাড়ানোর স্প্রেটি। জনসন অ্যান্ড জনসনের আমেরিকার নিউরোসায়েন্সের মেডিক্যাল সংক্রান্ত বিভাগের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইকেল ক্র্যামার অন্তত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে জানান, এ দেশে ১১ থেকে ১২ শতাংশেই আত্মঘাতী হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তীব্র অবসাদে ভোগেন তাঁরা। তাঁদের জন্য এই স্প্রে জীবনদায়ী ওষুধের থেকে কম কিছু নয়। স্প্রেটি অবসাদগ্রস্ত মানুষদের আত্মহননের ভাবনাকে দূর করবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন একের পর এক করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন নেতা-মন্ত্রীরা? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?]

২০১৯ সালের মার্চে স্প্রেটি মানুষের উপর প্রয়োগের ছাড়পত্র পাওয়ার পর প্রায় ৬ হাজার মানুষের চিকিৎসার কাজে লেগেছে। বলাই বাহুল্য ইতিবাচক সাড়াও মেলে। আর এবার স্প্রাভাটো নামের স্প্রেটি বাজারে আসার সবুজ সংকেতও পেয়ে গেল। মাইকেল ক্র্যামারের দাবি, এর আগেও অবসাদ দমনের ওষুধ তৈরি হয়েছে। তবে তার ফল পেতে অনেকদিন সময় লাগত। কিন্তু স্প্রাভাটো অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে। এই স্প্রে ব্যবহার করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, আত্মহত্যার প্রবণতা যাঁদের মধ্যে ছিল, তাঁদের চিন্তাভাবনা দ্রুত বদলে গিয়েছে।

আমেরিকার মনোবিদদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে গৃহবন্দি থাকতে থাকতে কিংবা কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন অনেকেই অবসাদে ভুগতে শুরু করছেন। মহামারীর আগে থেকেই আমেরিকায় অবসাদে ভোগা রোগীর সংখ্যাটা ছিল উদ্বেগজনক। কোভিড পরিস্থিতিতে তা আরও বেড়েছে। এই সময় জনপ্রিয় কোম্পানিটির এমন আবিষ্কারে উপকৃত হবেন হাজারো মানুষ। এমনটাই আশা চিকিৎসক মহলের।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণে আসছে করোনা সংক্রমণ, দাবি পরিবহণ মন্ত্রীর]

বিঃ দ্রঃ- আন্তর্জাতিক সংসাদমাধ্যম সূত্রে খবর। সংবাদ প্রতিদিন এর কার্যকারিতার সত্যতা যাচাই করেনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.