Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
WHO

এই খাবার খেয়ে বছরে মৃত্যু ১৫ লক্ষ, অধিকাংশই শিশু! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২১ সালেই বিশ্বজুড়ে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন প্রায় ৮৬.৬ কোটি মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৪:০৯

options
link
এই খাবার খেয়ে বছরে মৃত্যু ১৫ লক্ষ, অধিকাংশই শিশু! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট zoom
হু-এর সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট জনমানসে রীতিমতো হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছে। প্রতীকী ছবি।

প্রতিদিন আমরা প্লেটে যা সাজিয়ে নিচ্ছি, তা কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর? নাকি অজান্তেই শরীরে ঢুকছে বিষ! সাধারণ মানুষের এই অসচেতনতা নিয়েই এবার তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাদের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা রিপোর্ট জনমানসে রীতিমতো হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছে। আমরা কী খাচ্ছি এবং কেন খাচ্ছি, তা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবার সময় এসেছে বইকি!

প্রতীকী ছবি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২১ সালেই বিশ্বজুড়ে দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন প্রায় ৮৬.৬ কোটি মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় উন্নতির যুগেও এমন বিপুল সংখ্যক মৃত্যু কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশুদ্ধ পানীয় জল, নূন্যতম স্বাস্থ্যবিধি এবং সঠিক খাদ্য সংরক্ষণের মতো বুনিয়াদি বিষয়ের অবহেলাই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিশুরা
সবচেয়ে ভীতিজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শিশুদের ক্ষেত্রে। বিশ্ব জনসংখ্যার মাত্র ৯ শতাংশ হল পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা। অথচ, মোট খাদ্যবাহিত সংক্রমণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই থাবা বসাচ্ছে এই নিষ্পাপ শিশুদের শরীরে। চিকিৎসকদের মতে, শৈশবে মানব শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ‘ইমিউনিটি সিস্টেম’ সম্পূর্ণ তৈরি হয় না। ফলে খাবারে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং প্যারাসাইট বা পরজীবীগুলো সহজেই তাদের আক্রমণ করে। এর জেরে হওয়া তীব্র ডায়রিয়া অনেক সময় প্রাণঘাতী রূপ নেয়। সঠিক চিকিৎসার অভাবে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শিশুদের অবস্থার চরম অবনতি ঘটছে।

প্রতীকী ছবি

কী কারণে ক্ষতিকর?
রিপোর্টে প্রকাশ, ২০২১ সালে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত মোট মৃত্যুর ৭৩ শতাংশেরই নেপথ্যে ছিল ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস নয়, বরং বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি। মেডিক্যাল জার্নালের পরিভাষায় একে ‘ক্লিনিক্যাল কেমিক্যাল টক্সিসিটি’ বলা চলে। এই রাসায়নিকের মধ্যে প্রায় ৪২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী বিপজ্জনক ‘ইনঅর্গানিক আর্সেনিক’ বা অজৈব আর্সেনিক। বাকি ৩১ শতাংশ মৃত্যুর কারণ সীসা (Lead) এবং মিথাইলমার্কারির মতো ভারী ধাতু।

এই বিষাক্ত উপাদানগুলো শরীরে প্রবেশ করে সরাসরি শিশুদের স্নায়ুতন্ত্র এবং মস্তিষ্কের বিকাশ বা ‘কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট’ স্তব্ধ করে দিচ্ছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেখা দিচ্ছে শিখন অক্ষমতা এবং স্থায়ী স্নায়বিক ক্ষতি। বড়দের ক্ষেত্রে এই রাসায়নিকগুলো ডেকে আনছে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ক্যানসারের মতো মারণ ব্যাধি। প্লেটের অন্নই যে এভাবে কালান্তক বিষ হয়ে উঠবে, তা ভাবতেও শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.