সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৌষের শুরুতে শীতের আমেজ। ক্রমশ কমছে তাপমাত্রার পারদ। উষ্ণতার খোঁজে বাইরে বেরনোর সময় শীতপোশাক তো রয়েছেই। ঘরে অনেকেই হিটার ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিটার সর্বনাশা। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে এই বৈদ্যুতিন যন্ত্র। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সম্বলে ঘুমন্ত অবস্থায় দম্পতির প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠেছে হিটার। তাই আজই সাবধান হোন। জেনে নিন হিটার ব্যবহারে শারীরিক ক্ষতি কী হতে পারে। আর ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতাই বা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিটার ব্যবহারকারীরা একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। সেগুলি হল:
- শুষ্ক ত্বক
- চোখ জ্বালা
- কনজাংটিভাইটিস
- চোখ চুলকানো
- চোখে লালভাব
- অ্যালার্জি
[আরও পড়ুন: গরম করতে গিয়ে দুধ নষ্ট? ছানা বানিয়ে লাভ নেই, বরং কাজে লাগান এভাবে]
শারীরিক সমস্যা থেকে রেহাই পেতে চাইলে হিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। নইলে বড়সড় বিপদ হতে পারে। জেনে নিন ঠিক কী কী সতর্কতা নেওয়া দরকার।
- বিছানার কাছে হিটার রাখবেন না।
- হিটার যাতে তোষক, কম্বল, কাগজ থেকে দূরে রাখতে হবে।
- কার্পেট, কাঠ অথবা প্লাস্টিকের কোনও জিনিসের উপর হিটার রাখবেন না।
- শক্ত, দাহ্য নয় এমন সামগ্রীর উপর হিটার রাখুন।
- বাড়িতে পোষ্য কিংবা কচিকাঁচা থাকলে আরও সাবধান হোন। তারা যাতে কোনওভাবে হিটারের কাছাকাছি না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- হিটার একটানা ঘরে চললে কার্বন মনোক্সাইড উৎপাদন হতে পারে। আর তার থেকে প্রাণহানিও অসম্ভব কিছুই নয়। তাই ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিংবা বাড়ি থেকে বেরনোর সময় হিটার বন্ধ করতে ভুলবেন না।
- হিটার ঘরে চলার সময় কারও মাথা যন্ত্রণা, অস্বস্তি, পেটে ব্যথা, বমি, ক্লান্তিবোধ হলে সাবধান হোন। তড়িঘড়ি হিটার বন্ধ করুন। ঘরের জানলা, দরজা খুলে দিন।
নিজের কিংবা পরিবারের সদস্যদের বিপদে ফেলতে না চাইলে সাবধানে হিটার ব্যবহার করুন।
[আরও পড়ুন: স্নান সেরে উঠে ভেজা চুলে সিঁদুর পরেন? আপনার অভ্যাসই জীবনে ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ]
সর্বশেষ খবর
-
অতিরিক্ত প্রোটিন খেয়ে বিপাকে? পাতে রাখুন এই খাবার, ডায়েট বদলেই মুশকিল আসান
-
দীর্ঘ ‘অসুস্থতা’, এবার ইস্তফা কাটোয়া পুরসভার চেয়ারম্যানের
-
ফেরার সুশান্ত ঘোষ! গাড়ি নিয়ে ওড়িশা সীমানায় কাউন্সিলরের পরিবার, আটকাল পুলিশ
-
ইয়ামালের গতি, পেদ্রির ম্যাজিকের সঙ্গে রক্ষণ-কাঁটাও! নতুন ‘তিকিতাকা’য় বিশ্বসেরা হবে স্পেন?
-
কোভিড থেকে আমফান, মহাসংকট মোকাবিলার খতিয়ান দিয়ে কোথায় আক্ষেপ রয়ে গেল প্রাক্তন মহানাগরিকের?