সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্থান সংকুলানের অভাবে ফ্ল্যাটের এক চিলতে বারান্দাতেই বাগানবিলাসের শখ মেটান এখন সিংহভাগ মানুষ। যে সব গাছ সূর্যের আলো ছাড়াও দিব্যি থাকতে পারে সেগুলির জন্য অনেকেই বেছে নেন নানা রকমের ইনডোর প্ল্যান্ট। যা সহজেই ঘরের ভিতর রাখা যায় এবং অতিরিক্ত পরিচর্যার প্রয়োজনও পড়ে না। তবে এর সঙ্গে সঙ্গে আরও একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হল দিনে দিনে দূষণের মাত্রা বাড়ছে। আর তা যাতে আপনার স্বাস্থ্যে থাবা বসাতে না পারে তাই ইনডোর প্ল্যান্ট কেনার সময় সচেতন থাকতে হবে। কেন? কারণ এমন কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট রয়েছে যা আপনার বাড়ির ভিতরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি দূষণও রোধ করতে পারবে। তাই কেনার আগে জেনে নিন গাছের নামগুলি।

এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে স্নেক প্ল্যান্ট। এই গাছ এমনিতেই ভীষণ জনপ্রিয়। অন্দরমহলে এই গাছ রাখলে ঘরের সৌন্দর্য তো বাড়ে। একইসঙ্গে বাতাসের মধ্যে ভেসে বেড়ানো ধূলিকণাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে যা প্রাকৃতিকভাবে আপনার ঘরকে রাখে দূষণমুক্ত।

সদ্য যারা গাছ বাড়িতে রাখা শুরু করেছেন এবং বিভিন্নরকম গাছ সম্পর্কে ধারণা কম তাঁরা ঘরে স্পাইডার প্ল্যান্ট রাখতে পারেন। এই গাছের পরিচর্যা যেমন কম তেমনই তা বাতাসের মধ্যে থাকা নব্বই শতাংশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ঘরের মধ্যে রাখতে পারেন পিস লিলি গাছও। এই গাছও ঘরের অন্দরের দূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও বাতাসে আদ্রতা বজায় রেখে আপনার অন্দরমহলের বায়ুকে করে তোলে শ্বাসযোগ্য।

শুধু শোওয়ার বা বসার ঘরেই নয় স্নানঘরেও রাখতে পারেন আপনার শখের গাছ। এক্ষেত্রে রাখতে পারেন ইংলিশ আইভি। এই গাছ স্নানঘরে রাখলে ছত্রাক জন্মানোর সম্ভবনা যেমন কমে তেমনই দূষণও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

পরিচর্যার সময় একেবারেই হাতে না থাকলে ঘরে রাখতে পারেন রাবার গাছ। ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে এই গাছ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এর বড় পাতা অনেক পরিমাণে ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও আপনার ঘরের বাতাস্কে রাখে দূষণমুক্ত।
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’