সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি ‘শেয়ারিং ইজ কেয়ারিং’। আর সেই ভাবেই মধ্যবিত্ত মানসিকতায় অন্যের জিনিস ব্যবহারে কোনও বাধা নিষেধ দেখা যায় না। কারণে হোক বা অকারণে অন্যের জিনিস ব্যবহারে মজা পান, এমন অনেক মানুষই রয়েছেন। তা সে জামাকাপড় হোক বা ঘড়ি-জুতো যাই হয়ে থাক না কেন! কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে, এই অভ্যেস মোটেও ভালো নয়। বরং হঠাৎ করেই আপনার উন্নতির পথ রুদ্ধ হতে পারে। অশুভ শক্তির আঁতাতে নষ্ট হতে পারে ব্যক্তিগত জীবন।
কীভাবে সতর্ক হবেন?
(১) অনেকেই অন্যের পছন্দের ঘড়ি নিজের হাতে গলিয়ে নেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে অন্যের হাতের ঘড়ি একদমই নিজের হাতে গলানো উচিত নয়। অন্যের ঘড়ি পরলে তাঁর গ্রহদশা, যোগ, নক্ষত্রের অবস্থান সরাসরি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে এটি আপনার দুর্ভাগ্যের কারণও হয়ে উঠতে পারে।
(২) কখনও কারোর আঙুলের আংটি ধার করে ভুলেও নিজের আঙুলে গলাবেন না। বাস্তুশাস্ত্র মতে, আপনার জীবনে কুপ্রভাব পড়তে পারে। ব্যক্তির গ্রহের অবস্থান সবচেয়ে বেশি আবদ্ধ থাকে আংটিতেই। সেই আঙটি আপনি ধারণ করলে তা আপনার ভাগ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।
(৩) কারোর পরিধান করা জামাকাপড় ভুলেও নিজের গায়ে গলাবেন না। পোশাকের মধ্যে ব্যক্তির আশা, আকাঙ্খা আভা লুকিয়ে থাকে। অন্যের অকাচা কাপড় তা আপনার ভাগ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। নেগেটিভ এনার্জির ফলে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে আপনার জীবনে।
(৪) ব্যাঙ্কে হোক বা পোস্ট অফিসে। কোনও দরকারি কাজে গেলে অনেকসময় কলম নিয়ে যেতে ভুলে যান অনেকেই। সেক্ষেত্রে ধার করা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র মতে, অন্যের কলম নিজের কাছে রাখলে কেরিয়ার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ভুলেও অন্যের ব্যবহার করা কলম বাড়িতে তুলবেন না।
(৫) কারোর বাড়িতে গিয়েছেন? তাঁর ব্যবহার করা বিছানায় ভুলেও শোবেন না। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, এতে আর্থিক উন্নতি বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। এমনকী বাড়তে পারে মানসিক উদ্বেগও।
সর্বশেষ খবর
-
এবার মাদ্রাসাতেও জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
বিশ্বকাপের ‘দ্বিতীয়’ উদ্বোধনী মঞ্চে আগুন ধরালেন নোরা, কানাডা কাঁপালেন ‘বাংলাদেশি’ ডিজে
-
জুটত না থালাভর্তি ভাতও! অভাবকে পরাস্ত করে আকাদেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ২ ছৌ শিল্পী
-
‘বিদ্রোহী’ শিবিরে যেতেই পদ খোয়ালেন মালা রায়, মহিলা তৃণমূলের নতুন সভানেত্রী কে?
-
সড়কপথে ৩৫০ কিমি পাড়ি, বাংলাদেশ পৌঁছলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী