সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে বাড়ি। অন্যদিকে অফিস। কর্মব্যস্তরা আজকাল যেন নিজেদের জন্য সময় বের করতেই পারেন না। তার ফলে পরিবার, বন্ধুবান্ধব কাউকে আর বিশেষ সময় দিতে পারেন না তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই মানসিক অবসাদ, একাকীত্বের মতো নানা সমস্যাই যেন পিছু ধাওয়া করছে তাঁদের। ব্যস্ততা না হয় একরকম তার উপর আবার কর্মক্ষেত্র কিংবা বাড়িতে অশান্তি থাকলে তো আর কথাই নেই। জীবন নিমেষে হয়ে উঠতে পারে দুর্বিষহ। বাস্তশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে পারে কয়েকটি গাছ। ওই গাছগুলি লাগালে অশান্তির অন্ধকার কেটে সুখশান্তির আলোর রোশনাইতে ভরবে বাড়ি।
কমবেশি প্রায় সকলের বাড়িতেই লাল জবা ফুলের গাছ থাকে। বাস্তু অনুযায়ী, লাল জবাগাছ অত্যন্ত শুভ। বাড়িতে এই গাছ থাকলে তো কথাই নেই আর যদি না থাকে তাহলে উত্তর কিংবা পূর্ব দিকে জবা গাছ লাগান। দেখুন ইতিবাচক কিছু জীবনে ঘটবেই।

গাঁদা ফুলের গাছও বেশিরভাগ গৃহস্থ বাড়িতে দেখা যায়। বাড়িতে মাত্রাছাড়া অশান্তি থেকে রেহাই পেতে উত্তর কিংবা পূর্ব দিকে গাঁদা ফুল গাছ লাগাতে পারেন।

[আরও পড়ুন: স্নান সেরে উঠে ভেজা চুলে সিঁদুর পরেন? আপনার অভ্যাসই জীবনে ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ]
বাড়ির ছাদে টবে কিংবা উঠোনে চাঁপা ফুল গাছ লাগান। এই ফুলটিও কিন্তু সৌভাগ্যের প্রতীক। আপনার বাড়ির সমস্ত অশান্তি দূর হবে। সুখসমৃদ্ধি যেন উপচে পড়বে পরিবারে।

বেল ফুল গাছ নিজের বাড়ির চৌহদ্দিতে লাগাতে ভুলবেন না। এই ফুলের গন্ধে মন ভাল হওয়ার পাশাপাশি অশান্তিও দূর করবে নিমেষে।

দেবী লক্ষ্মী ও গৌতম বুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত পদ্মফুল। এই ফুল গাছ বাড়ির উত্তর-পূর্ব অথবা উত্তর কিংবা পূর্ব দিকে লাগাতে ভুলবেন না।

বাস্তুশাস্ত্রবিদরা মনে করছেন, এই গাছগুলি লাগালে অশান্তি দূর হবে নিমেষেই। সংসারে ফিরবে সুখশান্তি।
[আরও পড়ুন: বাথরুমে খালি বালতি রাখছেন! বিপদ ডেকে আনছেন না তো? বাস্তুমতে জেনে নিন কী করণীয়]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে