সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধ করে নতুন বাড়ি তৈরি করেছেন। মাথার উপরে একান্ত আপন ছাদ। গৃহপ্রবেশের সময় কেউ করেন পুজো, কেউ দেন পার্টি। যাই-ই করুন না কেন, নতুন বাড়িতে প্রবেশের সময় কয়েকটি কাজ একদমই করবেন না। কেমন? যেমন –
শোক-যন্ত্রণা-অশান্তি-ক্ষোভের অতীতকে অতীতেই থাকতে দিন। তা নতুন বাড়িতে বয়ে আনবেন না। নতুনের দিকে পা বাড়াতে গেয়ে কিছু পুরনোকে পিছনে ফেলতেই হয়। তাতেই সংসারে সুখ ও শান্তি বজায় থাকে।

পুরনো আসবাবপত্রের সঙ্গে আমাদের আলাদা কানেকশন তৈরি হয়ে যায়। তা সে যতোই ভাঙাচোরা হোক। ইচ্ছে হয়, নতুন বাড়ির এক কোণে তা পড়ে থাকুক। এই কাজটি না করলেই ভালো। ভাঙাচোরা জিনিস নতুন বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জির উৎস হতে পারে।

নতুন জায়গায় নতুন বাড়িতে নিজেকে আইসোলেট করে ফেলবেন না। এমনটা হতেই পারে যে আপনি প্রতিবেশীদের চেনেন না বা প্রতিবেশীরা আপনাদের চেনেন না। সদ্ভাব বজায় রাখবেন। এতে লাভ আপনারই। নির্জন জায়গায় একা রয়েছেন এমনটা মনে হবে না। আবার প্রয়োজনে সাহায্যও পেয়ে যাবেন।
[আরও পড়ুন: নতুন বছরের প্রথম দিনে এই কাজগুলি করতে ভুলবেন না, লক্ষ্মী থাকবে আপনারই ঘরে]
বাড়িতে মন্দির বা প্রার্থনার জায়গা অবশ্যই রাখবেন। পারলে ঠাকুরকে উত্তর-পূর্ব দিকে রাখবেন। বলা হয়, এতে সংসারের শ্রীবৃদ্ধি হয়।

বাড়িতে রান্নাঘরের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। সুতরাং এই জায়গাটি যেন মনের মতো হয়। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, গেরস্থালির হেঁশেল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হওয়া উচিত। তাতে পজিটিভ এনার্জি থাকে।

বাড়ির আয়না যেন বেডরুমে থাকে। আর তা এমন জায়গা থাকে যাতে সকালে উঠে আপনি নিজের মুখটি দেখতে পান। নিজেকে যখন আয়নায় দেখবেন, মনের শক্তি বাড়বে। দিনের শুরুও ভালো হবে।
[আরও পড়ুন: শীতের রাতেও বেডরুমে থাকবে প্রেমের উষ্ণতা, যদি ঘরটি সাজান এই উপায়ে]
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা, সোনারপুরের কামালগাজি থেকে এনআইয়ের জালে
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’