Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

এই উপায় অবলম্বন করলেই মিলবে চশমা থেকে মুক্তি

জেনে নিন কীভাবে রেহাই পাবেন চশমা থেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:২২

options
link
এই উপায় অবলম্বন করলেই মিলবে চশমা থেকে মুক্তি zoom

ময়ূরকণ্ঠী গাউনে অপরূপা সুন্দরী। সঙ্গে মানানসই মেক আপে নীল নয়নার সাজ। কিন্তু সব শেষে চোখে হাই পাওয়ারের চশমা আঁটতেই উধাও সব গ্ল্যামার। কারও আবার লেন্স পড়লে চোখ লাল হয়ে জল পড়ে। কেউ সতর্ক না হওয়ায় ঘনঘন নষ্ট হয় আঁশের মতো স্বচ্ছ লেন্স। এত ঝক্কির দরকার নেই। চশমা-লেন্স থেকে রেহাই পেতে ল্যাসিক করিয়ে নেওয়াই ভাল। কয়েক মিনিটের ল্যাসিক সার্জারি করে চশমা ছাড়া দিব্যি সবকিছু স্বচ্ছ দেখতে পাবেন। ল্যাসিক সার্জারির সুবিধার কথা জানাচ্ছেন দিশা আই হাসপাতালের ক্যাটার‌্যাক্ট অ্যান্ড রিফ্র‌্যাকটিভ সার্ভিসের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. অয়ন মোহান্ত।

ল্যাসিক কী:
ল্যাসিক হল লেজার ভিশন কারেকশন। এক্সাইমার লেজারের সাহায্যে ল্যাসিক সার্জারি করা হয়। মাইনাস বা প্লাস যে কোনও পাওয়ারেই ল্যাসিক সার্জারি করা যায়। এই লেজারের সাহায্যে মূলত চোখের কর্নিয়ার আকার পরিবর্তন করে ঝাপসা দেখা বা কম দেখার সমস্যা দূর হয়। রোগীকে চশমা ব্যবহার করতে হয় না বা ভারী চশমার পরিবর্তে খুব অল্প পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করলেই চলে। এটি রক্তপাতহীন অপারেশন, ব্যথাও হয় না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আগে পরীক্ষা: ল্যাসিক সার্জারি করার আগে ডাক্তার প্রি-ল্যাসিক টেস্ট করে দেখেন যে আদৌ রোগীর ল্যাসিক করা যাবে কি না। এই টেস্টে রেটিনা পরীক্ষার সঙ্গে চোখের অন্য কোনও সমস্যা থাকলে তাও খতিয়ে দেখা হয়।

[জানেন, সুস্থ থাকতে সপ্তাহে কতবার বীর্যপাত করা উচিত?]

অপারেশনের পরে সতর্কতা: ল্যাসিক সার্জারির পরে অন্তত ৫-৭ দিন অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। সূর্যের আলোয় বেড়তে সানগ্লাস ব্যবহার করা জরুরি। চোখে খুব জোরে জলের ঝাপটা নয়। চোখ চুলকানো, বার বার চোখে হাত না দেওয়াই উচিত। এক মাস সাবধানে থাকলেই সারাজীবন চশমা ছাড়া সুস্থভাবে বাঁচা যায়।

কোন বয়সে: সাধারণত ১৮ বছরের পরই ল্যাসিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বয়স হয়ে গিয়েছে বলে আপনি ল্যাসিক করতে পারবেন না এমন ধারণাও ভুল। কারণ ৪০ বছরের পরও আপনি ল্যাসিক সার্জারি করার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

[আপনি কেমন মানুষ? উত্তর দেবে আপনার হাঁটার ধরনই]

পরেও চশমা: যাদের ১০-১২-র মতো বেশি মাইনাস পাওয়ার থাকে ল্যাসিকের মাধ্যমে পুরোপুরি পাওয়ার শূন্য করা যায় না। সেক্ষেত্রে পাওয়ার দুই-তিনে নামিয়ে আনা হয়। তাই তখন সার্জারির পরও চশমা পরতেই হবে। তবে অবশ্যই আগের মতো ভারী চশমা নয়।

ভ্রান্ত ধারণা: ল্যাসিক সার্জারি খরচসাপেক্ষ বলে অনেকে প্রথমেই পিছিয়ে আসেন। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়াও অনেক সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ল্যাসিক করানো হয়। তাই সাধ্যমতো ল্যাসিক করাতে পারেন। একইসঙ্গে ল্যাসিক সার্জারি করালে চোখের ক্ষতি হতে পারে ভেবে ভয় পাবেন না। একবার ল্যাসিক করালেই চশমার ব্যবহার থেকে রেহাই পাবেন।

[নতুন বছরে কেমন হবে আপনার যৌনজীবন? বলছে রাশিফল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.