BREAKING NEWS

১৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০ 

Advertisement

গর্ভাবস্থায় মুড সুইং, কীভাবে সমস্যার মোকাবিলা করবেন?

Published by: Bishakha Pal |    Posted: September 9, 2018 4:55 pm|    Updated: September 9, 2018 4:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে কোনও মেয়ের জীবনে গর্ভবতী হওয়া খুব বড় একটা বিষয়। দেহের মধ্যে একটা প্রাণকে লালনপালন করা সহজ কাজ নয়। আর এই কারণেই খুব মুড সুইং হয়। এই ভাল তো এই মন্দ। বিশেষ করে যখন প্রসব যন্ত্রণা ওঠে, তখন মেজাজও চড়ে যায় সপ্তমে। নিজের এই তিরিক্ষি মেজাজ আয়ত্তে আনার চেষ্টা করেন অনেক মা। কিন্তু সবসময় হয়ে ওঠে না। একশো শতাংশ সম্ভবও নয়। কিন্তু কিছুটা তো হতেই পারে।

১) যোগাসন

এই সময় হরমোনের অনেক ওঠানামা হয়। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওঠানামা করে মেজাজও। এই সময় শরীর ও মনের উপর খুব চাপ পড়ে। এই সবই নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে যোগাসন। প্রেগন্যান্সির সময় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এটি খুব সাহায্য করে। শুধু চাপ কমানোই নয়, গর্ভাবস্থার যে কোনও সমস্যা- যেমন, পিঠে ব্যথা, সকালে গা গোলানো ভাব, মাথাধরা এই সবও যোগাসনে কমে। রোজ সকালে ধ্যান করলেও মেজাজ ঠিক থাকে।

অতিরিক্ত ধূমপান করেন? জেনে নিন কালো ঠোঁটে রং ফেরানোর উপায় ]

২) নিজেকে সময় দিন

গর্ভাবস্থায় মহিলাদের অনুভূতি খুব বেড়ে যায়। এই সময় নিজেকে সময় দেওয়াটা খুব দরকার। যেভাবে পারবেন নিজেকে একটু বেশি করে ভালবাসুন। যা মন চায়, করুন। যদি দিনে অনেকটা সময় কাজের মধ্যে কাটাতে হয়, যদি আপনি ৯টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কাজের মধ্যেই ডুবে থাকেন, তাহলে বাকি সময়টা চাপ মুক্ত করুন। এক্ষেত্রে অবশ্য আপনার সঙ্গীকেও সচেষ্ট হতে হবে।

৩) প্রচুর ঘুমান

যখনই মনে হবে, একটু ঘুমিয়ে নিন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যান। যতক্ষণ ইচ্ছে হয়, ঘুমান। আর ক্লান্ত হলে ঘুম তো অবশ্যম্ভাবী। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, ঘুমের সময় যেন মশা না কামড়ায়। এ থেকে রোগও ছড়াতে পারে। রাত বা দিন, যখনই সময় পাবেন, ঘুমিয়ে নিন। এই সময় এটির সবচেয়ে বেশি দরকার।

ট্রেনে-বাসে একটু দাঁড়ালেই কোমরে ব্যথা? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ]

৪) সময় মতো খান

সঠিক ডায়েট সবসময়ই জরুরি। বাড়ন্ত শিশুর জন্য এটি খুব দরকারী। সময়মতো খাওয়াটাও খুব দরকার। খিদে পেলেই খান। সবসময় যে পুষ্টিকর খাবারই খেতে হবে, এমন নয়। স্ন্যাকস বা আইসক্রিমের মতো খাবারও খেতে পারেন। এতে স্বাদবদল যেমন হবে, মনও ভাল থাকবে।

৫) কথা বলুন

যখনই মন খারাপ হবে, কারও সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কাছের জনের সঙ্গে কথা বললে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়। মনের চাপ কমে। কখনও কখনও বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে যান। এতে মন ভাল থাকবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement