Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

শুধু যৌনতা নয়, বৈবাহিক সম্পর্কে বেশি জরুরি এই পাঁচটি বিষয়

বিয়ে টিকিয়ে রাখতে কী কী করা দরকার? জেনে নিন...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৮, ২০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৮, ২০:২৬

options
link
শুধু যৌনতা নয়, বৈবাহিক সম্পর্কে বেশি জরুরি এই পাঁচটি বিষয় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় সমাজে বিয়ে মানে দুই আত্মার মিলন। যদিও এখন এই মতবাদ কেউ বিশ্বাস করে না। এখন বিয়ের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যৌনতা। কিন্তু সবসময় যৌনতা নিয়ে থাকলে মুশকিল। বিয়ে শারীরিক ও মানসিক, দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।

১) মানসিক সম্পর্ক শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নয়। পরিবারের সঙ্গে হওয়াটাও জরুরি। শ্বশুর-শাশুড়ি বা বাড়িতে কোনও ভাশুর, দেওর বা ননদ থাকলে তাঁদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার। শুধু মেয়েদের নয়। ছেলেদের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। একথা ঠিক যে রীতি অনুযায়ী ছেলেদের শ্বশুরবাড়িতে থাকতে হয় না। তার মানে এই নয় যে তাদের কোনও দায়িত্ব বর্তায় না।

Advertisement

রাত জেগে খেলা দেখছেন, দিনে ঘুমঘুম ভাব কাটাবেন কীভাবে? ]

২) বিয়ের কিছু পর থেকেই ভারতীয় দম্পতির থেকে ‘ভাল খবর’ চায় পরিবার। যেন সন্তান হওয়ার দম্পতির জীবনে একমাত্র লক্ষ্য। তবে এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ নিতে হবে দম্পতিকে। পরিবারকে সুখী রাখতে সন্তান নিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তো হতেই পারে। কিন্তু তারপর? তারপর তো সেই সন্তানকে মানুষ করার ভার নিতে হবে বাবা মা-কেও। সেখানে পরিবারের কোনও ভূমিকা নেই। সেই কথা মাথায় রেখেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে দম্পতিকে। তাঁদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাঁরা সন্তান নেবে, নাকি শুধু দু’জনেই বাকি জীবনটা কাটাবে।

৩) ফুড হ্যাবিট কিন্তু সম্পর্কে ভাঙন ধরাতে পারে। ধরুন আপনি নিরামিষাশী। কিন্তু আপনার সঙ্গী আমিষ ভক্ত। সেক্ষেত্রে কিন্তু সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সরাসরি যদি নাও হয়, মন খারাপ হতেই পারে। তখন কিন্তু স্বামী ও স্ত্রী দু’জনকেই সমস্যা সমাধানে অবতীর্ণ হতে হবে।

যোগাভ্যাসের মাধ্যমে কীভাবে বাড়াবেন যৌন ক্ষমতা ? ]

৪) কখনও নিরাপত্তার অভাব বোধ করবেন না। শারীরিক নয়। এখানে কথা হচ্ছে মানসিক নিরাপত্তা নিয়ে। ধরুন দু’জনের ফোন পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করা থাকে বা দু’জনের কারও সোশাল সাইটের পাসওয়ার্ড অন্য কেউ জানে না। সেক্ষেত্রে কিন্তু সেগুলি জানার চেষ্টাও করবেন না। প্রত্যেকের নিজস্ব একটি জগৎ থাকে। সেটি নিয়ে তাঁকে থাকতে দিন। প্রয়োজন হলে একসঙ্গে বসে কথা বলুন।

৫) স্বামী ও স্ত্রী, দু’জনেই যদি আর্থিকভাবে সাবলম্বী হন তবে একে অপরকে সাহায্য করুন। এক্ষেত্রে স্ত্রীর যেমন উচিত সমস্যায় পড়লে স্বামীকে আর্থিক সাহায্য করা, স্বামীরও তাই কর্তব্য। উপরন্তু মাঝে মধ্যে দু’জন দু’জনের জন্য সারপ্রাইজ ডেট বা উপহারের আয়োজন করুন। এতে সম্পর্ক দৃঢ় হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.