Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

জানেন, আপনার খাদ্যাভ্যাস কতবড় বিপর্যয় ঘটাচ্ছে হিমালয়ের?

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড ফান্ডের সমীক্ষায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০১৭, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০১৭, ১৩:৪৭

options
link
জানেন, আপনার খাদ্যাভ্যাস কতবড় বিপর্যয় ঘটাচ্ছে হিমালয়ের? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সময় বদলাচ্ছে। সমাজ বদলাচ্ছে। বদলাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাসও। অধিকাংশ বাড়িতেই এখন স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকুরে। রান্না করারও সময় নেই। তাই  পশ্চিমী খাবার বিশেষত আমিষ খাবারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। বাড়ছে মাংস খাওয়ার প্রবণতা। কিন্তু, জানেন কি, আপনার এই খাদ্যাভ্যাস কতবড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে?  সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ জমির প্রয়োজন হয়। তাই আমাজন, কঙ্গো অববাহিকা, এমনকী হিমালয়ের মতো জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

[মিনারেল ঘাটতিতে বড় রোগের সম্ভাবনা, ডায়েটে এই খাবারগুলি আছে তো?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শরীরের পুষ্টির জন্য মাংস বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া যে প্রয়োজন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বাস্তবে প্রয়োজনের থেকেও অনেক বেশি পরিমাণ মাংস বা দুগ্ধজাত খাবার খাচ্ছে মানুষ। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড ফান্ডের এক সমীক্ষা বলছে, শুধুমাত্র পুষ্টির প্রয়োজন মেনে সারা বিশ্বে যদি মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনা যায়, তাহলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের থেকেও দেড়গুণ বেশি এলাকা বাঁচানো যাবে। কীভাবে?  সমীক্ষা বলছে, পশুপালনের জন্য সারা বিশ্বে শস্য উৎপাদনের জন্য জমির ব্যবহার বাড়ছে। বাদ যাচ্ছে না আমাজন, কঙ্গো অববাহিকা, হিমালয়ও। সেখানকার জমিতেও শস্য উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে জল, ভূমির মতো প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ বাড়ছে। হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাস্তুতন্ত্র।

[রাস্তায় খিদে পেয়েছে, কোন কোন ধাবায় ঢুঁ মারবেন?]

বস্তুত, সারা বিশ্বে প্রায় ৬০ শতাংশ জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য মানুষের অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার প্রবণতাকেই দায়ী করা হয়েছে সমীক্ষার রিপোর্টে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের কারণে কমপক্ষে ৩৩টি প্রজাতির প্রাণী পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছে।  ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড ফান্ডের ফুড পলিসি ম্যানেজার ডানকান উইলিয়ামসন বলেছেন, ‘ অনেকেই হয়তো জানেন, মাংস নির্ভর খাদ্যাভ্যাস জল বা ভূমির মতো প্রাকৃতিক সম্পদের উপর প্রভাব ফেলে। এমনকী, এই ধরণের খাদ্যাভ্যাসের জন্য গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমনও বেড়ে যায়। কিন্তু, পশুপালনের জন্য শস্যের চাষের কারণে প্রকৃতির যে কতবড় ক্ষতি করছে, সে বিষয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে।’  তবে শুধুমাত্র প্রকৃতির ক্ষতি-ই নয়, মাংস এখন আর আগের মতো পুষ্টিকর খাদ্যও নয় বলে দাবি করা হয়েছে সমীক্ষায়।

[শুধু এক কামড়? তাতেও কিন্তু ওজন বাড়ে!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.