সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না—ইহা দূরেও ঠেলিয়া ফেলে।’ আধুনিক প্রেমের ভাষ্য বোধয় এটাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসার মানে বদলায়। পালটায় সম্পর্কের সমীকরণও। প্রেমের সেই ধারাকে যেন ‘জেন জি’ নিজের মতো করে রপ্ত করে নিয়েছে। বিষয়টা কী? অবশ্যই ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে দারুণ চর্চা চলছে। জেন জি-দের এই নয়া সমীকরণ নেহাত গালভরা কোনও শব্দবন্ধ নয়। নেপথ্যে রয়েছে এক মনস্তাত্ত্বিক আধার।

প্রথাগত ভাবে ডিভোর্স মানে বিচ্ছেদ। কিন্তু ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ হল একটি সম্পর্কের এমন পরিস্থিতি, যেখানে দুজন মানুষ কিছুক্ষণের জন্য একে অপরের থেকে দূরে থাকেন। ব্যাপারটা ঠিক কী? সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এ বিষয়ে বক্তব্য রাখছেন। জানা যাচ্ছে, বেড়াতে যাওয়ার সময় যুগলেরা এয়ারপোর্টে নিজেরা এক অপরের থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। বিশেষত, দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে বিমানযাত্রাকে বেছে নেওয়া হয়। আর বিমানযাত্রা মানেই জিনিসপত্র গোছানো থেকে চেক ইন, বোর্ডিং পাস হাজারো ঝামেলা। এই বিরক্তিতে যাতে একে অপরের উপর গিয়ে রাগ না পড়ে, সেজন্যই ‘জেন জি’ যুবপ্রজন্ম এই পথ নিয়েছেন।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘ট্রাভেল অ্যাংজাইটি’ অস্বীকার করার মতো বিষয় নয়। ফলে তা কমাতে যদি নতুন কোনও পন্থা খুঁজে পাওয়া যায় তবে তা মন্দ কিছু নয়। আসলে ব্যক্তিগত পরিসরে বোঝাপড়া ও একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতেই এই নতুন পথ। আর ঠিক এই কারণেই বহু যুগল ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ বেছে নিচ্ছেন। কিছুটা সময় একা থাকার ফলে মন শান্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ অক্ষুণ্ণ থাকছে। বাড়ছে একে অপরের প্রতি মানসিক টান। তাছাড়া কিছুক্ষণ দূরত্ব বজায় রাখায় সঙ্গীর প্রতি দুর্বলতাও বাড়তে থাকে। আদতে এই সাময়িক বিচ্ছেদে সম্পর্কের গিঁট আরও পোক্ত হয়ে ওঠে।
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদল হতেই আন্দোলনের পথ ছাড়ল কুড়মিরা, রেল-সড়ক অবরোধ থেকে সরে আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীকে
-
বিনা যুদ্ধে নাহি দিব… হেরেও অমলিন থাকবে ভোজিনহাদের রূপকথা, কষ্টের জয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা
-
নির্দল থেকে চেয়ারম্যান পদে! তৃণমূলের সমর্থনে কামারহাটির পুরপ্রধান লকেটের দাদা
-
বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল
-
বিজ্ঞান জগতেও সমাদৃত শ্যামাপ্রসাদ! নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার নামকরণে ‘ভারত কেশরী’