Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Lifestyle News

সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েই চলেছে? দিনে মাত্র ৪৭ মিনিট সময় দিলেই ভালোবাসায় ভরে উঠবে জীবন!

উপহার, টাকা-পয়সা বা বিরাট আয়োজন, কোনওটাই চান না মহিলারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৯:১২

options
link
সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েই চলেছে? দিনে মাত্র ৪৭ মিনিট সময় দিলেই ভালোবাসায় ভরে উঠবে জীবন! zoom
দিনে মাত্র ৪৭ মিনিট সময় দিলেই ভালোবাসায় ভরে উঠবে জীবন!

প্রেমের টান অমোঘ টান। প্রেম পর্বে সঙ্গীর সঙ্গে দেখা করতে, সময় কাটাতে সাত সমুদ্র তেরো নদী পার করতেও দু’বার ভাবেন না কেউ কেউ। আবার কারও ক্ষেত্রে দেখা যায় ঠিক উলটোটা। যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন, বারবার ফোন-মেসেজে বিরক্ত হয়ে যান যুবকেরা। বিয়ের পর যেন আরও বদলে যায় অধিকাংশ সম্পর্কের সমীকরণ। আগে দিনের একটা বড় অংশ ফোনে জুড়ে থাকতেন যে প্রেমিক, স্বামী হতেই সে যেন দূরত্ব বাড়িয়ে ফেলেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধরে নেওয়া হয় সাংসারিক জটিলতাই এর জন্য দায়ী। কিন্তু কারণ যাই হোক, স্বামীরা সাধারণত বোঝার চেষ্টাই করেন না স্ত্রী ঠিক কী চান। কী করলে খুশি হবেন। কিন্তু জানেন কি গবেষণা বলছে, দিনে সঙ্গী মাত্র ৪৭ মিনিট সময় দিলেই খুশি হয়ে যান মহিলারা।

Vastu tips for long lasting relationship on Valentine week
ফাইল ছবি।

ঠিক কী বলছে গবেষণা? গিফট, টাকা-পয়সা বা বিরাট আয়োজন, কোনওটাই চান না মহিলারা। তাঁরা শুধু চান সঙ্গীর উপস্থিতি। সেটাও কিন্তু দীর্ঘসময় নয়। দিনে মাত্র ৪৭ মিনিট! তবে তা পুরোপুরি। অর্থাৎ ওই সময়টুকু শুধুই দু’জনের। কিন্তু সমস্যার শুরু এখানেই। কারণ, শারীরিকভাবে পাশে থাকলেও এখন আর মানসিকভাবে কাছে থাকে না কেউই। অফিস থেকে ফিরে সঙ্গীকে সময় দেওয়ার পরিবর্তে অধিকাংশই ডুবে যান ফোনে-সোশাল মিডিয়ায়। সঙ্গীর পাশে বসেই চলতে থাকে স্ক্রলিং। অধিকাংশ বাড়িতেই দেখা যায়, পাশাপাশি বসে দু’জনই ডুবে নিজের ফোনে। অথবা ব্যস্ত থাকেন অফিসের কাজ নিয়ে। ফলে পাশাপাশি থেকেও মনের কথার আদানপ্রদান হয় না।

Advertisement

Love

 

কিন্তু কাউকে গুরুত্ব দেওয়া মানে তো পাশে বসা নয়। গবেষণা বলছে, সম্পর্ক মুচমুচে রাখতে চোখে চোখ রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বলা নয়, মন দিয়ে শুনুন স্ত্রী বা প্রেমিকার কথা। যত্ন নিয়ে তার উত্তর দিন। কারণ, এতেই তারা মানসিকভাবে নিরাপদ মনে করে। আর মানসিক নিরাপত্তা মানেই ভালোবাসা। আর সঙ্গী যদি বোঝেন যে আপনি তাঁর কথা শুনছেন, গুরুত্ব দিচ্ছেন, তাহলেই খুশি হয়ে যান তিনি। যা মজবুত করে সম্পর্কের ভিত।

আর এই আস্থা-ভালোবাসা অর্জনের জন্য দিনের ৪৭ মিনিটই যথেষ্ট। তা যদি না পারেন, তাহলে আজীবন স্ত্রী বা প্রেমিকার হৃদয়ের রাজা হয়ে থাকার আশা ছেড়ে দিন। কারণ, মহিলারা যেমন নিজেকে উজার করে ভালোবাসতে পারেন, তেমনই দীর্ঘ অবহেলায় নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন শতযোজন দূরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.