সকালে একের পর এক বাজছে অ্যালার্ম। ঘুম ভেঙে যেন দৌড় শুরু মায়ের। লক্ষ্য একটাই সময়মতো খুদেকে স্কুলে পাঠাতে হবে। ব্য়াগ, টিফিন বক্স গোছানোর ফাঁকে ফাঁকে খুদেকে ডাকছেন। ছোট্ট পড়ুয়া অবশ্য স্কুল যাওয়ার হুঁশ নেই। বিছানায় দিব্যি সুখনিদ্রা দিচ্ছে সে। বিরক্ত হয়ে বহু মা-ই জোর চিৎকার করে খুদেকে ঘুম থেকে তোলেন। আপনিও কি সেই তালিকার একজন? আজই অভ্যাস বদলান। নইলে নিজের অজান্তেই হয়তো বড় ক্ষতি হতে পারে খুদের।
কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ শিশুই ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যেতে কান্নাকাটি করে। তা বলে আপনাকে মেজাজ হারালে চলবে না। পরিবর্তে শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগে আলতো করে ডাকুন। তাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে জাপটে ধরুন। আলতো হাতে গায়ে, পিঠে, মাথায় হাত বুলিয়ে দিন। মিষ্টি নামে ডাকুন। আদর করুন। তাতেই দেখবেন ধীরে ধীরে হাসিমুখে তার ঘুম ভাঙবে। সে-ও আপনাকে গলা জড়িয়ে আদর করবে। দু’জনের সম্পর্কের ছোঁয়াচ বিনিময়ের পর তাকে বলুন স্কুল যেতে হবে। এবার ঘুম থেকে উঠতে হবে। দেখবেন এক সেকেন্ড সময় নষ্ট না করেই ঘুম থেকে উঠে পড়েছে খুদে।
আরও পড়ুন:

চিৎকার করে ঘুম ভাঙলে শিশু নেতিবাচকতায় ভরে যায়। মেজাজ বিগড়ে যায়। আর নিত্যদিনের এই সমস্যা একদিন তাকে খিটখিটে করে দেয়। তাতে স্কুলে গিয়ে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে সমস্যা হয় খুদের। কথায় বলে, মর্নিং শো-স দ্য ডে। এভাবে খুদের সকালটা শুরু হলে দেখবেন গোটা দিন দিব্যি খোশমেজাজে রয়েছে সে। ঘুম ভাঙানোর এমন কৌশলে পজিটিভ এনার্জিতে ভরে যাবে শিশুর প্রাণমন। সে হয়ে উঠবে আরও বেশি উচ্ছ্বল। আপনাকে দেখে সে শিখবে কীভাবে চিৎকার চেঁচামেচি না করে শান্তভাবে কোনও কাজ করা সম্ভব। সন্তানের কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষক তাঁর মা, বাবা-সহ পরিবারের লোকজন। তাই বাড়িতে সুশিক্ষা পেলে দেখবেন জীবনটাই অন্যরকম হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিক্ষোভকারীরা লাঠি খাচ্ছেন, ‘আরশোলা’ মুখপাত্র খাচ্ছেন বার্গার! ভাইরাল ভিডিওয় মুখ পুড়ল ‘ককরোচে’র
-
‘দেশের তরুণরা অমর’, ‘ককরোচ’দের সমর্থনে বড় পদক্ষেপ হানি সিংয়ের, শো বাতিল আরমান মালিকের
-
লাইভে ‘খুনি’ বলে তোপ, মদনকে ১০ কোটির আইনি নোটিস অভিষেকের
-
১০ বছর বড় প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হতেই ব্রেকআপ! মেয়ের মুখও দেখতে নারাজ বিশ্বকাপ মাতানো তারকা
-
টালা প্রত্যয়ে সাফাই অভিযানে বদলে গেল কমিটি! পুজোর দায়িত্বে কোন শিল্পী?