Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

এডস থেকে মুক্তির বেশি দেরি নেই, আবিষ্কৃত হতে চলেছে প্রতিষেধক

লিম্ফোসাইটের একটি কোষ থেকে এই প্রতিষেধক আবিষ্কার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১৬:৪৮

options
link
এডস থেকে মুক্তির বেশি দেরি নেই, আবিষ্কৃত হতে চলেছে প্রতিষেধক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এডসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার হয়তো আর বেশি দেরি নেই। এতদিন মা যদি এডসে আক্রান্ত হতেন, তবে গর্ভস্থ বাচ্চারও এডসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল ষোলো আনা। কিন্তু এবার সম্ভবত সেই অভিশাপ কাটতে চলেছে। মানব শরীরে এমন একটি কোষের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যা থেকে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে আপনার রান্নাঘরের তোয়ালে! ]

Advertisement

গবেষকরা সম্প্রতি একটি ট্রেগ সেল আবিষ্কার করেছেন। এটি লিম্ফোসাইটের একটি অংশ। গর্ভের মধ্যে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুকে এইচআইভি ভাইরাস থেকে রক্ষা করবে। এমোরি ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষক পিটার কেসলার জানিয়েছেন, বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে এইডসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। অন্তত মা এডস আক্রান্ত হলে যাতে শিশু বেঁচে যায়, তার চেষ্টা চলছিল পুরোদমে। এবার সেই গবেষণায় সাড়া মিলল। এতদিন মা এডসে আক্রান্ত হলে শিশু এডস নিয়েই জন্মাত। তবে মৃত্যুকে ঠেকিয়ে রাখার জন্য প্রতিষেধক ছিল। কিন্তু এডস থেকে বাঁচার উপায় ছিল না।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন, রক্তে ট্রেগ লিম্ফোসাইটের পরিমাণ বেশি থাকলে সদ্যোজাতরা এইডস নিয়ে জন্মায় না। কিন্তু যে সব শিশু এডস নিয়ে জন্মায় তাদের রক্তে এই ট্রেগ লিম্ফোসাইটের মাত্রা কম থাকে। লিম্ফোসাইট মানুষের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের থেকে দেহকে রক্ষা করে। ট্রেগ সেল বা টি সেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে। ফলে এক্ষেত্রে এইআইভি ভাইরাস আক্রমণ করার সম্ভাবনা কমে যায়।

রোদ্দুরকে ডোন্ট কেয়ার করতে চান? ব্যাগে রাখুন এই পাঁচটি জিনিস ]

গবেষকরা ৬৪ জন এমন শিশুর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন যাদের মায়ের এডস রয়েছে, কিন্তু শিশুর নেই। আর ২৮ জন শিশুর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন যাদের এডস রয়েছে। দেখা গিয়েছে, ওই ৬৪ জনের ট্রেগ কোষের মাত্রা বাকি ২৮ জনের থেকে বেশি। তবে গবেষণা এখনও শেষ হয়নি। আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারবেন গবেষকরা। ততদিন অপেক্ষা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.