সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুগটা এআইয়ের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমকের পর চমক সৃষ্টি করে চলেছে। ফলে প্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যেই ‘প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক দিন ধরেই। এবার সেই ‘রেস’ নিয়ে মুখ খুললেন ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান। স্বীকার করলেন, এই ‘লড়াইয়ে’ এগিয়ে গিয়েছে গুগল। তবে সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, এই এগিয়ে থাকা সাময়িক।
২০২২ সালের নভেম্বরে আত্মপ্রকাশ করেছিল চ্যাটজিপিটি। প্রথম থেকেই চমকে দিয়েছিল ওপেনএআই নির্মিত চ্যাটবটটি। আর সেই থেকেই ওপেনএআই-ও হয়ে উঠেছিল জনপ্রিয়। কিন্তু গুগল যে তাঁর সংস্থাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে তা মেনে নিচ্ছেন অল্টম্যান। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা একটি সংস্থা হিসেবে যথেষ্ট শক্তি নির্মাণ করেছি। এতে দুর্দান্ত মডেল তৈরি করে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারি। সুপার ইন্টেলিজেন্সে পৌঁছানোর জন্য আমাদের গবেষণা দলের বেশিরভাগ সদস্যকে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তাঁর বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, অল্টম্যান চান স্বল্পমেয়াদি ‘এআই-শত্রুতা’ নিয়ে মাথা না ঘামাতে। বরং ‘আর্টিফিশিয়াল সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নিয়ে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করে সামগ্রিক ভাবে এগিয়ে যেতে চায় ওপেনএআই।
উল্লেখ্য, গুগলের জেমিনি ৩ ইঞ্জিনিয়ার থেকে ক্রিয়েটর সকলেই মন জিতেছে। ওয়েবসাইট ডিজাইন থেকে কোড লেখা- সবেতেই তার দক্ষতা বিশেষজ্ঞদের মন জিতে নিয়েছে। এই সব বিষয়গুলিতে ওপেনএআই-ই কিন্তু এগিয়ে ছিল। ধীরে ধীরে গুগল তাদের পিছনে ফেলেছে। এখানে বলে রাখা ভালো, গুগলই যে ওপেনএআইয়ের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী তা কিন্তু নয়। ‘অ্যানথ্রপিক’-এর মতো সংস্থাও কিন্তু অল্টম্যানদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে। এই সংস্থার তৈরি ক্লাউড এআই সিস্টেম ঝড় তুলে দিয়েছে প্রযুক্তি দুনিয়ায়। ফলে সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জটা যে বেশ কঠিন, তা মানছে ওয়াকিবহাল মহল।
সর্বশেষ খবর
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫
-
পশুপাখির ঘর কেড়ে ১০ হাজার কক্ষের রিসর্ট! ট্রাম্পের জামাইয়ের বিরুদ্ধে জনগর্জন আলবেনিয়ায়