১২ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতিরিক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে। গুরুজনদের এই সাবধানবাণী ক’জনই বা শোনেন। আজকের টেক স্যাভি যুগে হাতে হাতে প্রযুক্তি। কিন্তু এর অত্যাধিক ব্যবহার যে, যে কোনও সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে; তার সাক্ষী থাকল কেরল। গুগল ম্যাপ দেখে গাড়ি চালাতে গিয়ে এক্কেবারে ৩০ ফুট গভীর খাদে পড়ে গেলেন তিন যুবক। বরাতজোরে প্রাণ বেঁচে গিয়েছে তাঁদের। তবে, তিনজনেরই মাথায় এবং বুকে গুরুতর চোট লেগেছে।

[জানুয়ারিতেই বাজারে আসছে শাওমির ৪৮ মেগাপিক্সলের ক্যামেরা ফোন]

মূল ঘটনাটি দিন দুই আগের।তবে, গুগল ম্যাপ দেখতে গিয়েই যে দুর্ঘটনা, তা প্রকাশ্যে এসেছে রবিবার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের পালামট্টম-অবলিচল রোডের ইনজাথোট্টির কাছে। ত্রিশূর থেকে মুন্নার যাওয়ার শর্টকাট হিসেবে অবলিচল রোড ধরেছিলেন গোকুলদাস, ইসাহাক এবং মুস্তফা নামের তিন যুবক। কিন্তু মুশকিল হল রাস্তা কেউই চিনতেন না। অগত্যা গুগল ম্যাপের দ্বারস্থ হতে হয় তাঁদের। অচেনা রাস্তায় ম্যাপ দেখেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন চালকের আসনে বসে থাকা যুবক। কিন্তু ফোনের দিকে তাকাতে গিয়ে তাঁদের নজরেই পড়েনি যে রাস্তার মাঝে একটি বিশাল গর্ত রয়েছে। যতক্ষণে তাঁরা বুঝতে পারেন ততক্ষণে গাড়ি একেবারে খাদের কিনারে চলে এসেছে। ব্রেক কষে থামানোর চেষ্টা করা হলেও তা বিফলে যায়। তিন যুবক-সহ গাড়িটি পড়ে যায় গর্তের ভিতরে। প্রায় ৩০ ফুট গভীর গর্ত, নীচে আবার ৮ ফুট জল ছিল। তাই যে কোনওরকম বিপদ হতে পারত। তবে,কোনওক্রমে গাড়ির দরজা খুলে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন তিন যুবকই। কিন্তু মুশকিল হল কেউই সাঁতার জানতেন না। তাই, গর্তের নীচে গাড়িটির উপরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কোনওক্রমে প্রাণ বাঁচান তারা।

[বিজ্ঞাপনে DSLR-এ তোলা ছবি ব্যবহার করে ক্রেতাদের ‘বোকা’ বানাল স্যামসং]

সেই সময় একটি রবার কারখানায় কাজ করে বাইকে ফিরছিলেন ছ’জন। তাঁরাই নিজেদের পরনের ধুতি খুলে গিঁট দিয়ে তিন যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ওই তিনজনের শুশ্রষা করে হাসপাতালে পাঠান তাঁরাই। কিন্তু মাঝ রাস্তার মধ্যে গর্ত এল কোথা থেকে? স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই জায়গায় একটি সেতু ছিল। কিছুদিন আগেই সেটি ভেঙে নতুন করে তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু সেতু ভাঙা হলেও কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। যার জেরেই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং