Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Twitter

‘দেশের আইন মেনে চলুক টুইটার’, টেক জায়ান্টের বিবৃতির পালটা জবাব কেন্দ্রের

কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল টুইটার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২১, ২০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২১, ২০:৫৬

options
link
‘দেশের আইন মেনে চলুক টুইটার’, টেক জায়ান্টের বিবৃতির পালটা জবাব কেন্দ্রের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) সংক্রান্ত কেন্দ্রের নয়া নিয়ম নিয়ে মুখ খুলেছিল টুইটার (Twitter)। জানিয়ে দিয়েছিল এই নয়া নীতি বাক স্বাধীন‌তার পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এবার তাদের এমন মতামতের পালটা কড়া জবাব দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব কথা না বলে দেশের আইন মেনে চলুক টুইটার। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশকে আইন শেখানোর দরকার নেই।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিবৃতি জারি করে টুইটার জানায়, “ভারতীয়দের প্রতি আমরা গভীরভাবে দায়বদ্ধ। মহামারীর সময় আমাদের পরিষেবা আমজনতার যোগাযোগের এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যম হয়ে উঠেছিল। পরিষেবা অবিচ্ছিন্ন রাখতে ভারতীয় আইনবিধি মেনে চলা হবে।” টুইটারের এহেন বিবৃতির উত্তরে এদিনই একটি প্রেস বিবৃতি পেশ করে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আধুনিক পদ্ধতিতে সোনায় লগ্নি করুন, একেবারে নিশ্চিন্তে, পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞ]

সেখানে জানানো হয়েছে, ‘‘সরকার টুইটারের দাবির সঙ্গে সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করে। ভারতে বাক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের এক গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে।’’ সেই সঙ্গে টুইটারের মতো বিদেশি সংস্থা যে লাভের জন্য এই বাকস্বাধীনতা নিয়েই খেলা করছে তাও জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

গত সোমবার টুইটারের দপ্তরে দিল্লি পুলিশের হানা প্রসঙ্গে টুইটার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এপ্রসঙ্গে কেন্দ্রের বক্তব্য, টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা ভারতে সব সময়ই নিরাপদ। তাঁদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিয়ে কোনও ভয় নেই।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাশ টানতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সময়সীমাও। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ডিজিটা‌ল কনটেন্ট সংক্রান্ত ওই নয়া নির্দেশিকা জারি করে তা কার্যকর করার জন্য ৩ মাস সময় দিয়েছি‌ল। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে গত মঙ্গলবার। এই পরিস্থিতিতে টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আপাতত ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নয়া নির্দেশিকা মানতে রাজি হলেও আলোচনায় বসতে চেয়েছে। এদিকে নতুন নিয়ম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। বৃহস্পতিবার একই মনোভাব ব্যক্ত করেছিল টুইটারও। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপের মতো টুইটারকে পালটা জবাব দিয়ে কেন্দ্র বুঝিয়ে দিল নতুন নিয়ম নিয়ে কোনও আপস করতে রাজি নয় তারা।

[আরও পড়ুন: বাড়িতে অক্সিজেন জোগান দিতে লাগান তুলসী-অ্যালোভেরা, কেন একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.