Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Elon Musk

‘করোনার বুস্টার ডোজের পর মনে হচ্ছিল মরেই যাব’, ভ্যাকসিন নিয়ে মাস্কের মন্তব্যে বিতর্ক

মাস্ক দাবি করেন, ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১৯:৩২

options
link
‘করোনার বুস্টার ডোজের পর মনে হচ্ছিল মরেই যাব’, ভ্যাকসিন নিয়ে মাস্কের মন্তব্যে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টুইটার কেনাকে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদের শিরোনামে উঠে আসেন এলন মাস্ক। কখনও কর্মী ছাঁটাই তো কখনও অদ্ভুত টুইট করে বিতর্কে জড়ান মার্কিন ধনকুবের। আর এবার কোভিড ভ্যাকসিনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মাইক্রোব্লগিং সাইটে প্রশ্ন তুলে দিলেন তিনি। যাতে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

এলন মাস্কের দাবি, কোভিড ভ্যাকসিনের (Corona vaccine) দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নিয়ে অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। তাঁর মনে হচ্ছিল প্রাণও হারাতে পারেন! কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল টুইটারে। সেখানেই এক প্রশ্নের উত্তরে মাস্ক দাবি করেন, এই টিকার বুস্টার ডোজের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। তিনি লেখেন, “দ্বিতীয় বুস্টার ডোজের পর বেশ জোড়ালো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছিল আমার। বেশ কয়েকদিন ধরে এতটাই অসুস্থ বোধ করি যে মনে হয়েছিল মরেই যাব। সৌভাগ্যবশত শরীরের কোনও ক্ষতি হয়নি।”

Advertisement

Musk

[আরও পড়ুন: ইস্যু আন্দামানে দ্বীপের নামকরণ: ‘নেতাজিই নাম দিয়েছিলেন’, মোদিকে মনে করালেন মমতা]

কিন্তু কেন এত দ্রুত দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন তিনি? এক ইউজারের প্রশ্নে মাস্ক (Elon Musk) জানান, “সেই ডোজ না নিয়ে তাঁর কোনও উপায় ছিল না। কারণ টেসলা গিগা বার্লিনে যাওয়ার জন্য এই ডোজ নিতেই হত।”

তবে তিনি একা নন, মাস্ক দাবি করেন তাঁর আত্মীয়ও করোনা টিকা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। মাস্কের কথায়, “আমার এক আত্মীয় সম্পূর্ণ ফিট আর সুস্থ ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এমনকী হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হয়।” তিনি এও জানান, ভ্যাকসিন নেওয়ার আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। প্রথম ডোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। শুধু ইঞ্জেকশন নেওয়ার অংশে ব্যথা হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে রীতিমতো কাহিল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই দাবি করছেন, মার্কিন ধনকুবের ভ্যাকসিন নিয়ে এহেন মন্তব্য করলে বিভ্রান্ত হতে পারেন সাধারণ মানুষ। যেখানে গোটা বিশ্বে টিকাকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে, সেখানে ভ্যাকসিন নিয়ে আমজনতাকে মাস্কের ভয় দেখানো উচিত নয় বলেও মনে করছেন অনেকেই।

[আরও পড়ুন: সিদ্ধান্ত একমাত্র অন্তঃসত্ত্বারই, ৩২ সপ্তাহ পরও গর্ভপাতে অনুমতি বম্বে হাই কোর্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.