২১ চৈত্র  ১৪২৬  শনিবার ৪ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

ফেসবুক

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 25, 2019 7:55 pm|    Updated: May 25, 2019 7:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলেজ, অফিস কিংবা বাড়ি একটু ফুরসৎ মিলতেই ফেসবুকে চোখ বুলিয়ে নেওয়াটা রাখাটা যেন অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছে সকলের। বলাই যায় আট থেকে আশি, সকলের কাছেই ফেসবুক মানে বিনোদন। যা যোগাযোগের পাশাপাশি আপনার সামনে তুলে ধরে এমন কিছু তথ্য, যা আপনাকে সমৃদ্ধ করে তোলে। কিন্তু সারাদিনে যা আপনার নিউজ ফিডে ভেসে আসে, সবই কি সত্যি? না এমনটা কিন্তু নাও হতে পারে।

[আরও পড়ুন: ভাইরাল ছবি-ভিডিও আদৌ সত্যি? যাচাইয়ে একাধিক পদক্ষেপ ফেসবুকের]

ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া ও মিথ্যে খবরের হাতছানি থেকে রক্ষা করতে সর্বদা চেষ্টা চালাচ্ছে ফেসবুক। এই বিষয়ে গত দেড় বছরে নানারকম উদ্যোগও নিয়েছে ফেসবুক। সাফল্যও এসেছে। তবে এখনও বাকি প্রচুর কাজ। কিন্তু ঠিক কী ব্যবস্থা নিয়েছে ফেসবুক? মেশিন-লার্নিং মডেলের মাধ্যমেই ফেসবুক সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে৷ টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা ছবি এবং ভিডিও পাঠানো হচ্ছে ‘ফ্যাক্ট চেকার’-এর কাছে। এছাড়াও নিরাপত্তার খাতিরে নিজেদের সফটওয়্যারে বিশেষ আপডেট এনেছে ফেসবুক। অপরাধমূলক কাজ রুখতে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছে ফেসবুক। 

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,  সত্যতা যাচাইয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং পদ্ধতি গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। ফেসবুকের ফটো ও ভিডিও-এর ক্ষেত্রেও ফ্যাক্ট চেকিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। ফ্যাক্ট চেকিং এর প্রভাব যাতে  বেশি সংখ্যক মানুষের উপকৃত হয়, সেই বিষয়ও নজরে রাখছে ফেসবুক। এছাড়াও, যারা বারবার ফেসবুকে অপরাধ মূলক কাজ করছে তাঁদের উপর নজরদারি চালাচ্ছে ফেসবুক ।

[আরও পড়ুন:  লোকসভা নির্বাচনে লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করল ফেসবুক]

জানা গিয়েছে, ফেসবুকের স্বচ্ছতা আনতে, ব্যবহারকারীদের সঠিক তথ্য দিতে গত বছর একটি থার্ড-পার্টি ফ্যাক্ট চেকিং অ্যাপের সঙ্গে সমঝোতা করে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করে ফেসবুক। পরবর্তীকালে আরও ১৪টি দেশে এই ফ্যাক্ট চেকিংয়ের পরিকল্পনা করা হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই ফ্যাক্ট চেকারের মাধ্যমে ফেসবুক স্টোরির সত্যতা নির্নয় করা সম্ভব এবং ৮০ শতাংশ ভুয়ো তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা প্রাপ্ত হয় ব্যবহারকারী। ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছে আরও ৪টি দেশে এই ফ্যাক্ট  চেকিং করা হবে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে বলেই মনে করছে ফেসবুক।    

Advertisement

Advertisement

Advertisement