Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Google AI

মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে গুগল এআই! ভুল তথ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ গুগল সার্চ করেন। ফলে এই ধরনের ভুয়ো তথ্য জনসাধারণকে কতদূর বিভ্রান্ত করতে পারে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে গুগল এআই! ভুল তথ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? zoom

ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে গুগলের এআই সামারি। অনেকেই গুগল ঘেঁটে তথ্য জানার চেয়েও বেশি ভরসা করছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপরে। এআই-কেই দায়িত্ব দিচ্ছেন জরুরি তথ্য খুঁজে বের করার। আর সেখানেই ‘ঘেঁটে ঘ’ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দিচ্ছে ভুল তথ্য! এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক রিপোর্টের।

গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত হয়েছে ওই রিপোর্ট। সেখানে অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে একটা হল লিভার ফাংশন টেস্ট। দেখা যাচ্ছে, যকৃতের গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রেও রোগীর টেস্টের ফলকে ‘স্বাভাবিক পরিসরের মধ্যেই’ বলে দাবি করছে গুগল এআই! ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিরও মনে হতে পারে তিনি সুস্থই রয়েছেন। পরে দেখা গিয়েছে, গুগল নিঃশব্দে এই বিষয়ক তথ্যের ক্ষেত্রে ‘স্বাভাবিক পরিসর’ সংক্রান্ত বিষয়ে সব তথ্য সরিয়ে দিয়েছে।
এখানেই শেষ নয়। আরেকটি সার্চের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, মেডিক্যাল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য না নিয়ে ইউটিউবের ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে গুগল এআই। প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ গুগল সার্চ করেন। ফলে এই ধরনের ভুয়ো তথ্য জনসাধারণকে কতদূর বিভ্রান্ত করতে পারে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, বরাবরই চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন শরীর খারাপ হলে ‘ড. গুগল’-এর শরণাপন্ন না হতে। অনেকেই শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে উপসর্গ লিখে সার্চ করেন গুগলে। দেখা যায়, বহু সময়ই একেবারে ভ্রান্ত সব তথ্য দিচ্ছে গুগল। এখন পরিস্থিতি আরও জটিল। মানুষ আর সার্চ রেজাল্ট ঘেঁটে দেখার ‘পরিশ্রম’ না করে সরাসরি এআই সামারি দেখছেন। আর তাতে যা সব ফলাফল দেখানো হচ্ছে তা সত্যিই বিপজ্জনক। মানুষের বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এতে অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। নয়া রিপোর্ট সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।

দেখা গিয়েছে, জার্মানিতে ৫০ হাজার সার্চের ক্ষেত্রে ৪.৪৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই ইউটিউব ভিডিওর তথ্যই সামারিতে দিয়েছে গুগল। অথচ সেদেশের অন্যতম বৃহৎ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘নেটডক্টর.ডি’-র তথ্য মাত্র ৩.৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৪.৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এআই ওভারভিউ মিলেছে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সূত্র থেকে। শতাংশের নিরিখেই পরিষ্কার, উদ্বেগটা অমূলক নয়। বহু মানুষই চোখ বুজে গুগলকে বিশ্বাস করেন! ফলে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.