BREAKING NEWS

১৩  আষাঢ়  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতীয় কুস্তিগিরকে জন্মদিনে শ্রদ্ধা গুগলের, বদলে গেল ডুডল

Published by: Biswadip Dey |    Posted: May 22, 2022 3:05 pm|    Updated: May 22, 2022 4:10 pm

Google Doodle now celebrates Gama Pehalwan। Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত গামা পালোয়ানের (Gama Pehalwan) ১৪৪তম জন্মদিনে তাঁকে ডুডলের (Google Doodle) মাধ্যমে সম্মান জানাল গুগল (Google)। ১৮৭৮ সালের আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন গুলাম মহম্মদ বক্স বাট। পরবর্তী সময়ে যিনি পরিচিত হয়েছিলেন গামা পালোয়ান নামেই। ১৯১০ সালে বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। সর্বকালের অন্যতম সেরা এই পালোয়ানের ভক্ত ছিলেন ব্রুস লি’র মতো কিংবদন্তিও।

তাঁর বাবাও ছিলেন পালোয়ান। তাঁরই তত্ত্বাবধানে মাত্র ১০ বছর বয়সে পালোয়ানির অনুশীলন শুরু। সেই বয়সেই তিনি রোজ ৫০০ বৈঠক ও ৫০০ পুশ আপ দিতেন। এমনটাই জানাচ্ছে গুগল। পরবর্তী সময়ে গামাকে প্রশিক্ষণ দেন বিখ্যাত পালোয়ান মাধো সিং। নিজের ৫২ বছরের কেরিয়ারে কোনওদিন হারের সম্মুখীন হতে হয়নি ‘রুস্তম-এ-হিন্দ’ গামাকে।

[আরও পড়ুন: আজই ঘর ওয়াপসি? ‘কোথাও শেষের কাউন্টডাউন, কোথাও শুরুর’, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য অর্জুনের]

১৮৮৮ সালে প্রথম বার খ্যাতির আলোয় আসেন তিনি। উপমহাদেশের তাবড় শ’ চারেক পালোয়ান যোগ দিয়েছিলেন একটি প্রতিযোগিতায়। সেখানে সেরার শিরোপা পরেন গামা। তবে ১৯০২ সালে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর নাম। ১ হাজার ২০০ কেজি ভরের একটি পাথরখণ্ডকে সেবার তুলেছিলেন কিংবদন্তি ওই কুস্তিগির! আজও বরোদা মিউজিয়ামে শোভা পাচ্ছে সেই অতিকায় পাথরটি।

তবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় কীর্তি নিঃসন্দেহে রহিম বক্স সুলতানিওয়ালার সঙ্গে তাঁর মল্লযুদ্ধ। কুস্তির মতো বডি কনট্যাক্ট গেমে শরীরের ওজন ও দৈর্ঘ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুলতানিওয়ালার দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৭ ফুট। সেখানে গামা মাত্র ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। অথচ তিনি গামাকে হারাতে পারেননি। তাঁদের মধ্যে হওয়া চার মোকাবিলার মধ্যে তিনটি ড্র হয়। একটি লড়াইয়ে জয়ী হন গামা। এই সাফল্যে অভিভূত হয় ব্রিটিশরাও। খোদ প্রিন্স অফ ওয়েলস ভারত সফরে এসে রুপোর গদা দিয়ে সম্মানিত করেন গামাকে।

[আরও পড়ুন: ঘুরপথে কলকাতায় মাঙ্কিপক্স ঢুকছে না তো? জ্বর-মাথার যন্ত্রণাতেও আইসোলেশনের পরামর্শ]

অপরাজেয় এই মানুষটির দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা বিস্মিত করে। শোনা যায়, তিনি দিনে ৬টি মুরগি, ১০ লিটার দুধ ও বাদামের সরবত খেতেন। সঙ্গে ১০০টি রুটিও। দেশভাগের পরে অমৃতসরের গামা চলে যান পাকিস্তানে। পরে ১৯৬০ সালে লাহোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি কুস্তিগির। 

রবিবার গামার জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করল গুগল। বৃন্দা জাভেরির আঁকা ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে ডুডলটি। যা দেখে বাঙালির হয়তো ষষ্ঠীচরণের কথা মনে পড়তে পারে, যিনি খেলার ছলে যখন তখন হাতি লোফালুফি করতেন। কিন্তু ষষ্ঠীচরণ কাল্পনিক হলেও গামা ছিলেন রক্তমাংসের মানুষ। তবু তাঁর অবিস্মরণীয় কীর্তির ছটায় তাঁকেও কাল্পনিক বলে মনে হয় যেন।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে