৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া বর্তমান প্রজন্মের জীবন যেন অচল। বিজয়ার প্রণাম থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা, সবই এখন সারা হয় এই সোশ্যাল মেসেজিং অ্যাপেই। আর সে কথা মাথায় রেখেই এবার প্রায় একইরকম একটি অ্যাপ আনতে চলেছে মোদি সরকার।

[আরও পড়ুন: ইন্টারনেটে ভুয়ো খবর ছড়ানোর জন্য দায়ী সরকারি নিষ্ক্রিয়তা, বিস্ফোরক জুকারবার্গ]

ভারতকে ডিজিটাল করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের মতো একটি মেসেজিং অ্যাপ আনার। সাইবার দুনিয়ায় স্বনির্ভর হতে চাইছে এদেশ। ভবিষ্যতে যদি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে অন্য দেশের সম্পর্ক খারাপ হয়, তাহলে সেসব দেশের প্রযুক্তি ব্যবহার করার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। সেক্ষেত্রে সমস্যায় পড়বেন সাধারণ মানুষ। একইভাবে আগামিদিনে যদি কখনও এদেশে হোয়াটসঅ্যাপ নিষিদ্ধ হয়, তাহলেও কোনও অসুবিধা হবে দেশবাসীর। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, চিনা সংস্থা হুয়েইকে নিষিদ্ধ করেছে মার্কিন সংস্থা গুগল এবং কোয়ালকম। ফলে এই কোম্পানির স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ডিভাইসে গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা যাবে না। আর ঠিক এই কারণেই পরনির্ভরশীলতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় কমিউনিকেশন অ্যাপ তৈরির চিন্তাভাবনা করছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি এই অ্যাপে যেসমস্ত তথ্য শেয়ার হবে, সেসব ভারতেই সঞ্চিত থাকবে। তাই তথ্য ফাঁসের মতো সমস্যাতেও পড়তে হবে না।

কেন্দ্রের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, নিরাপত্তার খাতিরে নিজস্ব ই-মেল, মেসেজিং অ্যাপ সবই প্রয়োজন। প্রাথমিক স্তরে সরকারি কর্মচারীরাই এই অ্যাপটি ব্যবহার করবেন। পরে সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও এই চ্যাট অ্যাপ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এককথায় জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে সরকারি হোয়াটসঅ্যাপের মতো কিছু প্রয়োজন। এর আগে ফ্রান্সও এই ধরনের একটি নিজস্ব চ্যাট অ্যাপ বানায়। তবে দেশীয় এই অ্যাপের নাম কী হবে, বা কবে তা চালু হবে, সেবিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।

[আরও পড়ুন: গরমে যত খুশি এসি চালান, এই উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখুন বিদ্যুৎ বিল]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং