×

১০ চৈত্র  ১৪২৫  মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভঙ্কর বসু: নতুন দামে কেবল পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্ট নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিলেও আপাতত লাগু হচ্ছে না এই নিয়ম। কারণ, এবিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত ঝুলে রয়েছে দেশের দু’টি হাই কোর্টে। কলকাতা হাই কোর্টের মতোই এনিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে বম্বে এবং তেলেঙ্গানা হাই কোর্টে। ফলে কবে থেকে কেবল সংযোগের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত দাম নিয়ে টেলিভিশন রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (ট্রাই) নতুন নিয়ম কার্যকর হবে, তা ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

                                          [মোবাইলের চেয়েও কম মূল্যে স্মার্ট টিভি, দাম কত জানেন?]

ট্রাইয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পুনে কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি তেলেঙ্গানা হাই কোর্টেও এনিয়ে মামলা করেছে কেবল অপারেটরদের একাধিক সংগঠন। দু’টি উচ্চ আদালতই এবিষয়ে এখনও কোনও রায় ঘোষণা করেনি। তাই টেলিভিশনে পছন্দের চ্যানেল দেখতে ঠিক কবে থেকে বাড়তি টাকা গুনতে হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। সূত্রের খবর, এই দুই আদালতই আপাতত কলকাতা হাই কোর্টের এই সংক্রান্ত নির্দেশের কপি দেখতে  চেয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের কপি দেখার পরই এ বিষয়ে বম্বে ও তেলেঙ্গানা হাই কোর্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়ে দেয়, কেবল পরিষেবায় নয়া দামে নতুন প্যাকেজ সংক্রান্ত ট্রাইয়ের নির্দেশ বলবৎ করতে এই মুহূর্তে কোনও অসুবিধা নেই। এ ব্যাপারে যেসব এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটররা এখনও পরস্পরের সঙ্গে চুক্তি করে উঠতে পারেননি, তাঁদের ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চুক্তি পর্ব সেরে ফেলতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি কতটা এগোল, সে সম্পর্কে ট্রাইয়ের কাছ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি হলফনামাও তলব করেছে হাই কোর্ট।

                                    [কেবল পরিষেবার প্যাকেজ নিয়ে ধন্দ? ডাউনলোড করুন এই অ্যাপটি]
ট্রাইয়ের বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৌমেন রায়-সহ প্রায় ৮০ জন লোকাল কেবল অপারেটর। তাঁদের দাবি ছিল, ২০১৭ সালের ৩ মার্চ ট্রাই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ব্রডকাস্টার, এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটরদের মধ্যে লভ্যাংশ বণ্টনের হারে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লভ্যাংশের ৮০ শতাংশ পাবেন সম্প্রচারক সংস্থা। বাকি ২০ শতাংশ এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটরদের মধ্যে ৫৫ ও ৪৫ শতাংশ হারে ভাগ হবে। এই বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সেসবের অধিকাংশের মীমাংসা এখনও হয়নি। তার মধ্যে এই নয়া বিজ্ঞপ্তি।

তবে ট্রাইয়ের তরফে জানানো হয়, প্রত্যেক গ্রাহকের থেকেই একটা ন্যূনতম অর্থ পাওয়া যাবে। সেই অর্থ শুধুমাত্র এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটরদের মধ্যেই ভাগ হয়ে যাবে। তারপর গ্রাহক বাড়তি যত চ্যানেল কিনবেন, সেই লাভের ৮০ শতাংশ পাবেন সম্প্রচারক, আর ২০% এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটরদের মধ্যে ৫৫ ও ৪৫ হারে ভাগ হবে। তবে এই ২০ শতাংশ এমএসও এবং লোকাল কেবল অপারেটররা কী হারে ভাগ করবেন, তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে ট্রাইয়ের কোনও আপত্তি নেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং