BREAKING NEWS

২৩ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ৮ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

খোদ জুকেরবার্গের ফেসবুক পেজ ডিলিট করার হুমকি হ্যাকারের!

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 28, 2018 7:50 pm|    Updated: September 28, 2018 7:50 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনলাইনে তথ্য হ্যাক হওয়া নিয়ে এমনিতেই বেজায় চাপে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। একদিকে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কাণ্ড অন্যদিকে, মার্কিন নির্বাচনকে রাশিয়ান সরকারের প্রভাবিত করার অভিযোগ। এই দুই ঘটনার পর ফেসবুকে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে ব্যবহারকারীরা। এই দুই ঘটনার পর অবশ্য নতুন করে তাদের তথ্য নিরাপত্তার বিষয়টি ঢেলে সাজানো হয়েছে বলে দাবি করে ফেসবুক। যদিও, সে দাবি কতটা সত্যি তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ প্রতিনিয়তই অ্যাকাউন্ট হ্যাকের খবর আসছে ফেসবুক থেকে।

[স্কাইপেও করতে পারবেন কল রেকর্ড, কি করে জানেন?]

কিন্তু এবার তাইওয়ানের বছর ২৪-এর এই হ্যাকার যা বললেন তাতে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় সকলের। না না, আমার আপনার মতো ছোটখাটো কারও নয়। বছর ২৪ এর ওই হ্যাকারের দাবি তিনি হ্যাক করবেন খোদ ফেসবুক সিইও মার্ক জুকেরবার্গের অ্যাকাউন্ট। শুধু হ্যাক করাই নয়, হ্যাক করে নিজের ঘরে বসে জুকেরবার্গের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি নাকি ডিলিটও করে দেবেন ওই চ্যাং চি ইয়ান। আর এই পুরো কাজটিই নাকি তিনি লাইভ সম্প্রচার করবেন তিনি। এমনিতে তাইওয়ানের বছর ২৪ এর ওই যুবক পেশায় সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং স্বীকৃত হ্যাকার। অর্থের বিনিময়ে হ্যাকিং করে থাকেন তিনি। ফেসবুক মালিকের অ্যাকাউন্টটিও তিনি টাকার জন্য হ্যাক করছেন। সম্প্রতি একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, “রোজ রোজ এক কাজ করে আমি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি, এবার এমন কিছু করতে চাই যাতে সহজেই টাকা কামানো যায়।”

[এবার ইনস্টাগ্রামেও শেয়ার করতে পারবেন অন্যের পোস্ট!]

ফেসবুক পেজে প্রায় ২৬ হাজার ফলোয়ারও আছে তাঁর। আগামী রবিবার তাইওয়ানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী সন্ধে ৬ টার সময় তিনি ফেসবুক লাইভে আসবেন। এবং লাইভে এসেই খোদ জুকেরবার্গের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক এবং ডিলিট করে দেখাবেন। চ্যাঙের এই হুমকি নিয়ে অবশ্য ফেসবুকের তরফে এখনও কোনও উত্তর আসেনি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই হুমকিকে পাত্তা দিতে চাইছে না। এমনিতেই একাধিক নিরাপত্তা ইস্যুতে জর্জরিত ফেসবুক। এর মধ্যে যদি সত্যিই ওই যুবক জুকেরবার্গের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করে ফেলেন তাহলে ফেসবুকের জন্য তা বড় ধাক্কা হতে পারে। প্রশ্ন উঠে যেতে পারে বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement