Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

রোজ কাঁধে ব্যাগ নেওয়ায় ব্যথা! জানেন সারাবেন কীভাবে?

জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের মতামত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৫:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৫:০২

options
link
রোজ কাঁধে ব্যাগ নেওয়ায় ব্যথা! জানেন সারাবেন কীভাবে? zoom

এক কাঁধে ভারী অফিস ব্যাগ। শিরদাঁড়া বেঁকে ৬০ ডিগ্রি। ঘাড়, পিঠ, কাঁধে অসহ্য যন্ত্রণা ট্রেন-বাসের প্রত্যেক নিত্যযাত্রীর। বোঝা বওয়ার ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় জানালেন সুরক্ষা ডায়াগনস্টিকের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. অর্ণব কর্মকার

[কানের লতিতে কাপড় মেলার ক্লিপ লাগিয়েই মিলবে যৌনতৃপ্তি]

হাঁপাতে হাঁপাতে ভিড় ট্রেনে বা বাসে উঠে কাঁধের ভারী ব্যাগটা কারও কোলে একটু ঠেকিয়ে দিতে পারলেই, আহ! কী আরাম। এক কাঁধে দীর্ঘক্ষণ ভারী ব্যাগ নিয়ে যাঁরা যাতায়াত করেন তাঁরা টের পান যন্ত্রণাটা। মাঝে মাঝেই ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা জানান দেয় ভারী ব্যাগ বওয়ার কুফল। টিফিন বক্স, জরুরি জিনিস সমেত অফিসের ব্যাগ নিতেই হবে। কিন্তু কাঁধের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কেমন হবে সেই ব্যাগ?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যন্ত্রণার সূত্রপাত: শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি যেন ব্যাগের ওজন না হয়। এক কাঁধে ওজন বেশি নিলে ব্যালান্স রাখতে গিয়ে শিরদাঁড়া সোজা করতে খুব সমস্যা হয়। ফলে শিরদাঁড়ার লিগামেন্ট, ডিস্কেও চাপ পড়ে। দীর্ঘসময় ধরে কাঁধে ও শিরদাঁড়ায় এই অসাম্য ভার বহন করলে পেশি, শিরা ও হাড়ের গঠনের পরিবর্তন হতে শুরু করে। যা স্পন্ডিলোসিসের আকার নেয়। ঘাড়, পিঠে স্পন্ডিলোসিসের সম্ভাবনা বাড়ে। খুব ভারী ব্যাগ নিলে মাশেল ফ্যাটিকের সমস্যাও হয়। ফলে পেশি খুব তাড়াতাড়ি দুর্বল হয়, হাঁপ ধরে, বেশিক্ষণ ভার বহন করা যায় না। ব্যথা শুরু হয়। পেশিতে চাপ পরলে টান ধরে। তা থেকে হতে পারে ফ্রাইবোমাইলজিয়া। এতে ঘাড়, কাঁধের পেশির স্ট্রেচেবিলিটি নষ্ট হয়। এই ব্যথা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে। চটপট সারতে চায় না। সঙ্গে শুরু হয় গা-হাতে ব্যথা, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরার সমস্যা।

[পিঠে-কোমরে ব্যথাটা কি বাড়ছে? এখনই সাবধান হোন]

উচিত-অনুচিত:

  • পিঠে ব্যাগ নিতে চেষ্টা করুন। যাতে দু’কাঁধে সমান ভাবে প্রেশার পরে।
  • পিঠের ব্যাগ ব্যবহার করলে মাথায় রাখুন যাতে ব্যাগের শোল্ডার স্ট্রাপ চওড়া হয়। এতে সুবিধা হল, ব্যাগের ভার সমানভাবে দুই কাঁধে পড়ে। ব্যথা কম হয়।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ও বাচ্চাদের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ওজন কোনওভাবেই বওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ কারও ওজন ৬০ কেজি হলে, সর্বাধিক ৬ কেজি ওজন বহন করতে পারেন।
  • একটানা এক কাঁধে ভারী ব্যাগ নেবেন না। ১০-১৫ মিনিট অন্তর কাঁধ পালটান। তবে ১ ঘণ্টার বেশি একটানা কাঁধে ব্যাগ রাখবেন না।
  • কাঁধে না নিয়ে ব্যাগ হাতে ঝুলিয়ে নিন। এতে ক্ষতির সম্ভাবনা কম।

খেতে হবে: উপযুক্ত ডায়েট মেনে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন-ই জাতীয় খাবার খেয়ে হাড় ও পেশির ক্ষমতা বাড়াতে হবে। একটানা খালি পেটে থাকা চলবে না। অল্প অল্প করে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর খান। রোজ যে কোনও দু’ধরনের ফল অবশ্যই খান। সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সবজি খান। এতে হাড় ও পেশি দুই শক্তিশালী হয়। মাছ, মাংস, ডিম যে কোনও একটা ডায়েটে রোজ রাখুন। রোজ দুধ খান। ছানা, পনির খেলেও উপকার। প্রোটিন, ভিটামিনসমৃদ্ধ সোয়াবিন খুবই উপকারী। বাড়ন্ত বাচ্চা ও বয়স্কদের (মহিলাদের ৪০-এর পর ও পুরুষদের ৫০-এর পর) হাড় ভাল রাখতে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, ই-সাপ্লিমেন্ট জরুরি। যাঁদের রোজই ভারী ব্যাগ কিংবা ভারী জিনিস বহন করতে হয় তাঁরা ভিটামিন-ই জাতীয় খাবার বেশি করে খান। প্রয়োজনে ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট (ট্যাবলেট, সাপ্লিমেন্ট) খেলে ভাল।

[ইন্টারভিউতে চমকে দিতে চান? CV-তে অবশ্যই রাখুন এই ৫টি দক্ষতা]

ফিট থাকার মন্ত্র:

  • একগাদা জিনিস ব্যাগে না ভরলেও নয়। তাই ব্যথার সমস্যা কমাতে সকাল উঠে নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন।
  • সোজা হয়ে শুয়ে পা সোজা করে উপরে তুলতে হবে। আবার একইভাবে উলটো হয়ে শুয়ে পা স্ট্রেট রেখে উলটোদিকেই উপরের দিকে তুলুন। এইভাবে ৮-১০ বার করুন।
  • ঘাড় সোজা রেখে মাথার একদিকে হাত দিয়ে চাপ দিন, একই সঙ্গে মাথা দিয়ে হাতে চাপ প্রয়োগ করুন। অর্থাৎ হাত মাথাকে চাপ দেবে, মাথা হাতকে চাপ দেবে। ঘাড় সোজা থাকবে। এইভাবেই মাথার ডানদিক-বাঁদিক, উপর-নিচে প্রত্যেকদিন ১০ মিনিট করে দু’হাত দিয়েই ব্যায়ামটি করুন। এতে স্পন্ডিলোসিসের ব্যথা রোধ করা যায়।
  • কাঁধের ব্যথা কমাতে রিং-এর মধ্যে দড়ি ঝুলিয়ে দু’হাত দিয়ে টানুন। একটা হাত উঠবে, অন্য হাত নামবে। এইভাবে ১০ মিনিট দিনে দু’বার করলে উপকার। শোল্ডার মাসেল ভাল থাকে।
  • টাওয়েল দিয়ে পিঠ মুছতে হয় যেমন ভাবে, সেইভাবেই একটা টাওয়েলকে ঘাড়ে উপরের দিক দিয়ে ডান হাত ও নিচে দিয়ে বাঁ-হাতে ধরে পিঠ মোছার মতো করুন। এটি ঘাড় ও কাঁধের পেশি ও হাড় ঠিক রাখে।

পরামর্শ: ০৩৩ ৬৬১৯ ১০০০

[কর্মক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি বস আপনাকে কখনও বলবেন না]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.