Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

৮টি জায়গা যা পৃথিবীর বলে বিশ্বাস করা অসম্ভব!

পৃথিবীর ৮টি অদেখা রূপরহস্য এবার উন্মোচিত হল আপনার জন্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯, ১৬:৩০

options
link
৮টি জায়গা যা পৃথিবীর বলে বিশ্বাস করা অসম্ভব! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথিবী তার ভাঁড়ারে কখন যে কী লুকিয়ে রাখে, অনুমান করা যায় না। হঠাৎ করেই একদিন তার অদেখা রূপ এসে পড়ে চোখের সামনে। আর তার পরে বেড়েই চলে বিস্ময়- চোখের সামনে যা রয়েছে, তা কি আমাদেরই পৃথিবী?
নিশ্চয়ই তাই! তবে তা বড় অচেনা পৃথিবী!
পৃথিবীর তেমনই ৮টি অদেখা রূপরহস্য এবার উন্মোচিত হল আপনার জন্য। সেখানে যেতে হলে?

দরকার শুধু একটু পয়সা জমানো!

Advertisement

ইয়েমেনের সোকোত্রা:

Socotra,-Yemen
ইয়েমেনের এই সোকোত্রা দ্বীপ বিখ্যাত তার ড্রাগন ব্লাড গাছের জন্য। নামটা বেশ অদ্ভুত, না? অবশ্য নামের থেকেও বেশি অদ্ভুত এই গাছের রূপ। দেখে মনেই হয় না, এই গাছ পৃথিবীতে জন্মেছে। ঠিক মনে হয়, যেন বা কেউ অন্য গ্রহ থেকে এসে পৃথিবীর বুকে স্থাপন করে গিয়েছে এই বৃক্ষ!

গ্র্যান্ড প্রিজম্যাটিক স্প্রিং:

Grand-Prismatic-Spring,-Wyo
নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এই উষ্ণ প্রস্রবণ রূপে আর রঙের ছটায় হার মানায় রামধনুকেও! ইয়েলোস্টেন ন্যাশনাল পার্কের এই উষ্ণ প্রস্রবণ তাই প্রতি বছর হাজারে হাজারে পর্যটক টেনে আনে। মুগ্ধ হয়ে সবাই দেখেন, কী ভাবে মাটিতে ধরা দিয়েছে সাত রঙের মায়াজাল।

মিশরের হোয়াইট ডেসার্ট:

White-Desert,-Egypt
ছবিটা দেখে একটা শান্ত, স্নিগ্ধ জায়গা বলে মনে হচ্ছে তো? আদতে মিশরের এই মরুভূমি জনহীন হওয়ার জন্য শান্ত নিশ্চয়ই, তবে ঠান্ডা কখনই নয়। রীতিমতো ত্বক ঝলসে দেওয়া গরম এখানকার আবহাওয়া!

মেক্সিকোর দোস ওহোস:

Dos-Ojos,-Mexico
স্ফটিক নীল জল আর পাথরের রুক্ষতা নিয়ে মেক্সিকোর এই জলতল হার মানায় রূপকথার রাজত্বকেও! বিশ্বাস হতে চায় কি, এই অপরূপ সৌন্দর্য রয়েছে পৃথিবীতেই?

ওকুলসারলন আইসল্যান্ড:

Jökulsárlón,-Iceland
আগ্নেয়গিরির কালো ছাই আর বরফের সাদা- দুই মিলেমিশে গড়ে উঠেছে এই আইসল্যান্ডের নিসর্গ। দেখে মনে হয়, জীবন যেন থমকে গিয়েছে এখানেই! এর ঠিক পর থেকেই শুরু হবে অন্য কোনও জগতের সীমানা।

চিলির ভ্যালে দে লুনা:

Valle-de-la-Luna,-Chile
অগ্ন্যুদগীরণে জন্ম নিয়েছে চিলির আটাকামা মরুভূমির এই ক্যানিয়নের রূপ। যে দিকে চোখ যায়, কেবলই রুক্ষ পাথর! মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে রূপে বিশেষ তফাত নেই বললেই চলে!

চিনের উলিংইউয়ান:

Wulingyuan-Scenic-Area,-Chi
মেঘ আর গাছের মাঝে ১০০ বর্গফুট এলাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে চিনের এই বিস্ময়-নিসর্গ। একের পর এক পাথরের স্তম্ভ জায়গাটাকে করে তুলেছে মোহময়ী। আচমকা দেখলে অবতার-এর প্যান্ডোরা গ্রহের কথাই মনে পড়বে!

নামিবিয়ার নাউকলুফত:

Namib-Naukluft-Park,-Namibi
লাল বালিয়াড়ি, নীল আকাশ আর গাছের কঙ্কাল- মনে হতে বাধ্য এ পৃথিবী নয়! অথচ নামিবিয়ার মরুভূমি বুকে লুকিয়ে রেখেছে এমনই মহাবিস্ময়! যার রূপ ভয় আর বিস্ময়- দুই জাগায় মনে!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.