×

৪ ফাল্গুন  ১৪২৫  রবিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্নাটকের হাসান জেলার মন্দির নগরী হল হ্যালেবিদ৷ এই শহরের পুরনো নাম দ্বারসমুদ্র৷ দ্বাদশ শতকে এটিই ছিল হোয়েসালা রাজাদের রাজধানী৷ বহু বছর ধরে এই বংশের রাজারা হ্যালেবিদে নানা সময় ধরে প্রচুর মন্দির নির্মাণ করেছেন, যার মধ্যে রাজা বিষ্ণুবর্ধন এবং বীরবল্লাল নির্মিত চারশোটি মন্দির বর্তমান৷

কী ভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন হ্যালিবিদে—

কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে ২১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত স্বল্প পরিচিত এই পর্যটন কেন্দ্রটি৷ ৪৮ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে পৌঁছনো যায় হ্যালেবিদ৷ বাস অথবা গাড়িতে গেলে সময় লাগবে ঘণ্টা সাতেক মতো৷ ট্রেনে করে এলে নামতে হবে ৩০ কিলোমিটার দূরের হাসানে৷ সেখান থেকে গাড়িতে করে পৌঁছনো যায় হ্যালেবিদ৷ বেঙ্গালুরু থেকে হ্যালেবিদগামী কোন বিমান নেই তাই বিমানে এলে নামতে হবে মেঙ্গালুরুতে৷ দূরত্ব ১৯০ কিলোমিটার৷

travel1

অনন্য স্থাপত্যনগরী হ্যালেবিদে থাকার জন্য আছে রাজ্য পর্যটন দফতরের হোটেল৷ এছাড়া থাকার জন্য আছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেলও৷

কী দেখবেন—

হ্যালেবিদ শহরে বিখ্যাত হোয়েসালেশ্বর এবং কেদারেশ্বর মন্দিরের জন্য৷ দু’টি মন্দিরেই আরাধ্য দেবতা শিব৷ সোপ স্টোন দিয়ে তৈরি শত বছর ধরে নির্মিত হোয়েসালেশ্বর মন্দিরটির আকৃতি খুবই অভিনব৷ তারার আকৃতিতে নির্মিত হয়েছে মন্দিরটি৷ সমগ্র মন্দিরটি তৈরি হতে সময় লেগেছিল প্রায় ১৯০ বছর৷

travel2

১৯২১ সালে রাজা বিষ্ণুবর্ধন এই নির্মাণ শুরু করেন৷ কিন্তু মালিক কাফুর নামে এক মুসলমান সুলতানের আক্রমণে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মন্দিরটি৷ এজন্য স্তম্ভের খোদাইয়ের কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছে৷ মূল মন্দিরের চত্বরের বাইরে এবং ভিতরে রয়েছে শান্তলেশ্বর, কেদারেশ্বর-সহ ছোট ছোট আরও ৪২টি মন্দির৷সমগ্র মন্দির জুড়েই আছে নয়নাভিরাম স্থাপত্য শিল্প৷ মন্দিরগাত্রে বর্ণিত রয়েছে রামায়ণ এবং মহাভারতের নানা কাহিনী৷ এছাড়া দেওয়াল জুড়ে নানা ভঙ্গিমায় দেবাদিদেব মহাদেবের নানা চিত্র৷ এখনও এই অনুপম শিল্পের সূক্ষতা, বিশালত্ব এবং পরিমিতিবোধ আমাদের আবিষ্ট করে রাখে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং