Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

বদলাচ্ছে পাহাড়, মকাইবাড়িতে পর্যটনে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগের প্রস্তাব

আরও চাঙ্গা হবে পর্যটন ব্যবসা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৮, ২০:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৮, ২০:৪৪

options
link
বদলাচ্ছে পাহাড়, মকাইবাড়িতে পর্যটনে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগের প্রস্তাব zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি:  একঝাঁক শিল্পপতি লগ্নির ঝাঁপি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পাহাড়ে। ইতিমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক লগ্নির ঘোষণা হয়েছে। আরও বেশ প্রকল্পের কিছু পথ চলা শুরুর অপেক্ষায়। তবে এখন আলোচনার শীর্ষে চা এর জন্য বিশ্বখ্যাত মকাইবাড়িতে একগুচ্ছ আন্তর্জাতিক মানের হোটেল তৈরির প্রস্তাব। ইতিমধ্যেই তাজ গ্রুপের তরফ থেকে মকাইবাড়িতে একটি মাঝারি মাপের প্রকল্প তৈরির প্রস্তাব এসেছে। তা প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এই প্রকল্পটিই বাস্তবায়িত হলে এখনও পর্যন্ত পাহাড়ে হোটেল ব্যবসায় সবচেয়ে অঙ্কের বিনিয়োগ হবে বলে বলে মনে করা হচ্ছে।

[পাহাড়ে পর্যটনের নয়া ঠিকানার সন্ধান, দুর্গম পথে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী জিটিএ]

Advertisement

কাশ্মীর যেতে চান? আপনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ভারতীয় রেলের়়]

এ বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জিটিএ বোর্ডের চেয়ারম্যান বিনয় তামাং। তিনি বলেন, “তাজের সঙ্গেপ্রাথমিক কথাবার্তা  হয়ে গিয়েছে। প্রকল্প তৈরির ব্যাপারেও রাজ্যের সবুজ সংকেত মিলেছে।  এখন তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।” শুধু তাজই নয়, আরও অন্তত দু’টি বিখ্যাত হোটেল চেন সংস্থা ‘হায়াত’ ও ‘আইটিসি’–ও জিটিএ ও রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানান বিনয়। এই সংস্থাগুলি লগ্নি করলে পাহাড়ের আর্থিক চালচিত্রটাই বদলে যাবে বলে মনে করছেন  তিনি। মকাইবাড়ির চা বহু বছর ধরেই  বিশ্বের বাজারে নিজের স্থান দখল করে রেখেছে। ফলে এর আলাদা কদর রয়েছে। কিন্তু এতদিন মকাইবাড়িতে পর্যটনের সঙ্গে র মেলবন্ধন ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার পাহাড় ঘুরে এখানকার অদেখা ও এখনও পর্যন্ত অন্তরালে থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলি প্রকাশ্যে আনার উপর জোর দেন। চলতি বছরের প্রথমে পাহাড়ে এই উদ্দেশ্যে একটি বিজনেস সামিটের আয়োজন করা হয়েছিল।  ওই সামিটে পাহাড়ে নিরাপত্তা ও শান্তির প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে পাহাড়ে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখার আশ্বাস দেন বিনয় তামাংও। তারপরই একাধিক লগ্নিকারী এগিয়ে আসেন পাহাড়ে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে।

[কেরলের আশ্বাস পুজোয় আসুন, বুকিং বিভ্রান্তিতে বাঙালি পর্যটকরা]

[অলীক সুখের খোঁজে পাড়ি জমান লেপচাখা ও বক্সা দুর্গে]

পাহাড়ে বহুজাতিক হোটেল ও রেস্তরাঁ চেনগুলি এগিয়ে আসায় আন্তর্জাতিক পর্যটন আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞ সম্রাট সান্যাল। তিনি বলেন, দার্জিলিংয়ের আন্তর্জাতিক পরিচিতি রয়েছেই। এখন যদি এখানে পাঁচতারা সুবিধা মেলে তাহলে আরও পর্যটনের মাত্রা বাড়বে। অন্য এক পর্যটন ব্যবসায়ী তাপসসাধন রায়ও মনে করেন বহুজাতিক হোটেল চেনগুলি পাহাড়কে বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.