সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শহরের কোলাহল থেকে দূরে যেতে চান? প্রকৃতির সবুজ রাজত্বে হারিয়ে যেতে চান? পাখিদের গান শুনতে চান? পাহাড়ের গল্প শুনতে চান? গ্রামের আঁকাবাঁকা রাস্তায় ছন্দ মিলিয়ে হাঁটতে চান? তাহলে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে সিকিমের (Sikkim) ছোট্ট গ্রাম মারতাম (Martam)।

বছরের যেকোনও সময়ই চলে যেতে পারেন। সবচেয়ে কাছের রেল স্টেশন নিউ জলপাইগুড়ি (New Jalpaiguri)। সেখান থেকে গাড়ি ধরে চলে যাবেন গ্যাংটক (Gangtok)। চাইলে একদিন সেখানে থেকে বিশ্রাম নিতে পারেন। তা করতে ইচ্ছে না করলে শেয়ারে সুমো বুক করে ফেলবেন জোরেথাং যাওয়ার জন্য। সেখান থেকে মারতাম যাওয়ার গাড়ি পেয়ে যাবেন।
[আরও পড়ুন: শীতের রোদ মেখে শহরের কোলাহল ছাড়িয়ে হারিয়ে যেতে চান? রইল বনভোজনের নতুন ঠিকানা]
ছোট্ট গ্রামটি বড্ড আনকোরা। চারপাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে পাহাড়গুলি যেন কোনও অজানা প্রেমের কাহিনি বলতে উৎসুক। পাহাড়ের ধাপের শোভা আবার বাড়িয়ে দেয় সবুজ ধানের খেত। গ্রামের পাশে সুন্দর এলাচেরও চাষ হয়। ইচ্ছে হলে তাও দেখে আসতে পারেন। অর্গানিক ফার্মিংও করা হয় এই গ্রামে। পাশাপাশি নানা রংয়ের অর্কিডও দেখতে পাওয়া যায়।

আর কী করা যায়? প্রকৃতির কোলে নিশ্চিন্তে আশ্রয় নেওয়া যায়। মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়া যায়। মাথার উপরে নীল আকাশ উপভোগ করা যায়। নরম ঘাসের বিছানায় শুয়ে পড়ে আলসেমির আভিজাত্য উপভোগ করা যায়। আশেপাশে ছোট জলপ্রপাতও রয়েছে। আবার সকালে ও বিকেলে পাখিদের কলতান শুনতেও মন্দ লাগবে না। কাছেই রয়েছে বৌদ্ধদের রুমটেক ও সাং মঠ। কুয়াশা মাখা পরিবেশে সেই নিস্তব্ধতাও উপভোগ করতে পারেন। থাকার জন্য মারতাম গ্রামের রিসর্ট রয়েছে। তাতে না থাকতে চাইলে হোম স্টে’তেও থাকতে পারেন। সেখানে খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত হয়ে যাবে।

[আরও পড়ুন: রংবাহারি প্রজাপতিদের মাঝেই জমবে চড়ুইভাতি, শীতে হাতছানি দিচ্ছে পুরুলিয়ার এই রঙিন উদ্যান]
সর্বশেষ খবর
-
আগের রাতের এই ৬ খাবার পরদিন গরম করে খান? পেটের সর্বনাশ হল বলে!
-
খাবার টেবিলে সঙ্গীর অভাব? একসঙ্গে খাওয়াতেও লুকিয়ে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি, একায় বিপদ কোথায়?
-
নেপালে ধেয়ে আসছে মৃত্যুবান! ৫ মাস আগেই সতর্ক করেছিল জোড়া রিপোর্ট, তবু কেন উপেক্ষা?
-
প্রকৃতিই তো প্রাণ! গাছে রাখি বেঁধে নজির গড়ল উলুবেড়িয়ার খুদে পড়ুয়ারা
-
৩ সপ্তাহে শেষ করতে হবে পুনর্তদন্ত, আর জি কর কাণ্ডে ডেডলাইন বেঁধে দিল হাই কোর্ট