Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Thailand Tour

বিনা ভিসাতেই ঘুরুন থাইল্যান্ড, জেনে নিন কোন শহরে কী কী ফেস্টিভ্যাল পাবেন?

কত দিন অবধি এই সুবর্ণ সুযোগ পাবেন? ঝটপট জেনে নিন বিশদে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৪, ২১:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৪, ২১:০৬

options
link
বিনা ভিসাতেই ঘুরুন থাইল্যান্ড, জেনে নিন কোন শহরে কী কী ফেস্টিভ্যাল পাবেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদেশ ভ্রমণে অন্যতম ঝক্কি ভিসা। সঠিক সময় তা মিলব কি না, কত দিনের ভিসা পাওয়া যাবে, এই নিয়ে আশঙ্কায় থাকেন সকলেই। কিন্তু থাইল্যান্ড সরকার আপাতত সেই ঝক্কি থেকে পর্যটকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছ। মে থেকে নভেম্বর অবধি থাইল্যান্ডে অবাধ প্রবেশের সুযোগ পাবেন ভারতীয়রা। যা জেরে সেখানকার স্থানীয় উৎসব, অনুষ্ঠানে অনায়াসে যোগ দিতে পারবেন পর্যটকরা।

এর আগে থাইল্যান্ডের পর্যটন মন্ত্রালয় জানিয়েছিল, ১০ নভেম্বর ২০২৩ থেকে ১০ মে ২০২৪ পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই ব্যাংকক-পাটায়ার দেশে বেড়াতে যেতে পারবেন ভারতীয়রা। এবার সেই সময়সীমা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আগামী ১১ নভেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত। অতঃপর এ যে পর্যটকদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ, তা বোধহয় আর আলাদা করে উল্লেখ করার প্রযোজন হয় না। এবার প্রশ্ন, এই সময়ের মধ্যে থাইল্যান্ড ট্যুরে কী কী দেখতে পারবেন? কোন কোন ফেস্টিভ্যালগুলোতে যোগ দিতে পারবেন? ঝটপট জেনে নিন।

Advertisement

হাতে আর ৬ মাস রয়েছে। এর মধ্যে চট করে প্ল্যান করে ফেলুন থাইল্যান্ড ট্যুরের। ব্যস্ত শিডিউল থেকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্যই হোক কিংবা অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা, থাইল্যান্ড কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে ফুকেট ভেজিটেরিয়ান ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে পারেন। যা কিনা এখানকার ঐতিহ্যশালী সাংস্কৃতিক এক উৎসব। নভেম্বরে হয় লয় ক্র্যাথং, যা কিনা আলোর উৎসব নামে পরিচিত থাইল্যান্ডে। সেখানকার লেক, নদীর বুকজুড়ে বয়ে যায় আলোয় সাজানো ফ্লোটিং বাসকেট। আর সেই আলোর ঝুড়ি ভাসানোর সময়ে এখানে মানত করার প্রচলন রয়েছে। অনেকটা দীপাবলির মতোই।

পুরাতন রাজধানী আয়ুত্থায়াতে খুঁজে পাবেন থাইল্যান্ডের রাজা-রাজরাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস। ওয়াট ফ্রা মাহাথাট এবং ওয়াট অরুন-এর মতো মন্দিরগুলোতে সেখানকার স্থাপত্যের নিদর্শন দেখতে পাবেন। আয়ুত্থায়া নামটি ভারতের অযোধ্যাকে শ্রদ্ধা জানিয়েই রাখা হয়েছে। আয়ুত্থায়ার প্রতিষ্ঠাতা রাজা রামাথিবোদিই এই নামটি রেখেছিলেন। এখানে রামায়ণ-এর থাই ভার্সন খুব প্রচলিত। এছাড়াও ব্যাংককের ওয়াট ফো-র মতো রাজকীয় মন্দিরে শান্তির খোঁজে যান অনেকে। যেখানে বিস্ময়কর রিক্লাইনিং বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে। এখানে বৌদ্ধ ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারেন। আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী হন, তাহলে উত্তর থাইল্যান্ডের সবুজ জঙ্গলের মধ্য দিয়ে একটি দুঃসাহসিক ট্রেক রয়েছে আপনারই জন্য। সেখানকার লুকানো জলপ্রপাত, বহু বণ্যপ্রাণ দেখতে পাবেন। খাদ্যরসিক হলে থাই ফুডে মজতে পারেন। এখানকার নাইটলাইফও ভীষণ জনপ্রিয়।

এক দফায় থাইল্যান্ডে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন সেখানে। উদ্দেশ্য, পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে আরও বেশি বিদেশি মুদ্রা আয়। দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন শহর ব্যাংকক পাটায়াতে উপচে পড়েছে ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়। মালোয়েশিয়া, চিন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পরে থাইল্যান্ডে পর্যটক সংখ্যায় এগিয়ে ভারতীয়রা। বছরে প্রায় ১২ লক্ষ ভারতীয় থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.