Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
কার্শিয়াং

সাদা অর্কিডের শহরে পর্যটন উৎসব ডিসেম্বরে, উদ্দীপনায় ফুটছে কার্শিয়াং

হোম-স্টে গুলিকে জনপ্রিয় করতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯, ২০:১৭

options
link
সাদা অর্কিডের শহরে পর্যটন উৎসব ডিসেম্বরে, উদ্দীপনায় ফুটছে কার্শিয়াং zoom
Advertisement

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: সাদা অর্কিডের শহর কার্শিয়াং। পর্যটনের জন্য পাহাড়ের কোলে যে ছোট্ট শহরের খ্যাতি দেশজোড়া। পাশাপাশি কেউ কেউ এ শহরকে ভালবেসে স্কুলনগরীও বলেন আবার। সেই কার্শিয়াংকে এবার পৃথক ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরতে আয়োজন করা হচ্ছে পর্যটন উৎসবের। নেপথ্যে কার্শিয়াং ট্যুরিজম অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর, টানা তিন দিন চলবে এই উৎসব।

পর্যটন এবং পর্যটন সম্পর্কিত একাধিক অনুষ্ঠান রাখা হয়েছে উৎসবে। বিভিন্ন ছোট ছোট পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে বিশেষভাবে পরিচিত করতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ছোট ছোট হোম-স্টে গুলিকেও উৎসাহ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারও হোম-স্টে গুলিকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের উদ্যোগে হোম-স্টে গুলিকে পর্যটন দপ্তরের অধীনে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, পাহাড় থেকে সমতল অবধি পর্যটনের উন্নতি এবং তার মাধ্যমে স্থানীয়দের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করতেই রাজ্যের এই নয়া উদ্যোগ।

Advertisement

পর্যটন উৎসবটির নাম দেওয়া হয়েছে ডেস্টিনেশন কার্শিয়াং ২০২০ টুরিস্ট ফেস্টিভ্যাল। কার্শিয়াং টুরিস্ট এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির তরফ থেকে জিতু রাই জানান, যেভাবে উৎসব থেকে সাজানো হয়েছে। এভাবে পর্যটন উৎসব এর আগে পাহাড়ে কখনও হয়নি। তাই এই উৎসব নিয়ে উৎসাহ ক্রমশই বাড়ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ পর্যটন উৎসবে যোগ দিতে আসতে চাইছেন। এমনকী, এই সময়ে পর্যটকেরা নাকি এই উৎসব উপলক্ষে পাহাড়ে থাকতেও চাইছেন।

প্রচুর খোঁজখবর করা হচ্ছে দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। ওই তিন দিনের জন্য জিটিএ-র তরফ থেকে এই উৎসবে সম্পূর্ণ সহযোগিতাও করা হচ্ছে। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, গত কয়েক বছরে কার্শিয়াং এবং লাগোয়া এলাকায় একশোটির বেশি হোম-স্টে চালু হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় ৫০টির বেশি হোটেল এবং লজ রয়েছে শহরে। সবগুলিকে আরও বেশি পরিচিত করতে এবং এগুলির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করতে এই ধরনের উৎসব খুবই ফলপ্রসূ হবে, বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। সেই সঙ্গে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস তৈরি হচ্ছে। সেটিকেও প্রচারের আলোয় আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

উৎসবে মনোরঞ্জনের জন্য থাকছে মাউন্টেন বাইকিং, ম্যারাথন দৌড়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্থানীয় বিভিন্ন খাবারের স্টল। তুলে ধরা হবে বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বৈশিষ্ট্যও। আর অতি অবশ্যই থাকছে সাদা অর্কিডের স্টল। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, ওই তিনদিন হোটেলগুলি বুকিং মোটামুটি ভরতিই থাকছে।  সব মিলিয়ে জমজমাট আসর বসতে চলেছে কার্শিয়াংয়ে।

[আরও পড়ুন: ফের কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের কবলে মৎস্যজীবী, জঙ্গল থেকে উদ্ধার দেহ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.