৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চারিদিকে বরফঢাকা পিরপঞ্জল পর্বতশ্রেণির মধ্যে সবুজ ঢাকা শান্ত উপত্যকা, এই নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের বাদগাম জেলার যুসমার্গ৷ শ্রীনগর থেকে দূরত্ব ৪৭ কিলোমিটার৷ অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভামণ্ডিত ২৩৭৭ মিটার উচ্চতার যুসমার্গে প্রকৃতি প্রেমিক, ভ্রমণরসিকদের সংখ্যা কয়েক বছর আগেও ছিল নগন্য৷ ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে পর্যটকদের সংখ্যা৷

কী ভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন—

শ্রীনগর থেকে যুসমার্গ গিয়ে দিনের দিনই ফিরে আসা যায়, তবে ভাল হয় যদি একদিন থাকতে পারেন৷ থাকার জন্য আছে রাজ্য পর্যটন দফতরের হোটেল৷ শীতের সময় বরফের আধিক্যর জন্য বন্ধ থাকে রাস্তা৷ তাই শীত এবং বর্ষা এড়িয়ে সারা বছরই যাওয়া যায় যুসমার্গে৷ শ্রীনগর থেকে বেসরকারি গাড়ি অথবা ট্যাক্সিতে করে পৌঁছনো যায় যুসমার্গে৷ তবে যাওয়ার আগে সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি জেনে রাখবেন৷

কী দেখবেন—

আমির খুসরুর বিখ্যাত ফারসি পংক্তি—“অগর ফিরদৌস বার রু-ই জমিন আস্ত/হামিন আস্ত-ও হামিন আস্ত-ও হামিন আস্ত৷” বাংলায় অনুবাদ করলে যার মানে দাঁড়ায় ‘পৃথিবীতে কোথাও যদি স্বর্গ থাকে তবে এটিই সেটা৷’ যুসমার্গে এলে মনে হয় এই পংক্তিটি যুসমার্গের অনিন্দ্যসুন্দর প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই লেখা হয়েছিল৷

yusmarg2

চারিদিকে পাইন, পপলারের বন, উত্তঙ্গ বরফঢাকা পাহাড়, সবুজ ময়দান আর নীল আকাশ যুসমার্গকে অপরূপ করেছে৷ শ্রীনগর থেকে যুসমার্গ যাওয়ার পথে ৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বিখ্যাত সুফি গায়ক শেখ নুরউদ্দিনের সমাধি৷ জায়গাটির নাম চারার-ই-শরিফ৷ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ দর্শনের জন্য আসে এখানে৷ ১৪৬০ সালে নির্মিত হয় এটি৷ এরপর দেখা যায় ঢেউ খেলানো উপত্যকা, বরফঢাকা পাহাড়৷ ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে দেখে আসা যায় দুধগঙ্গা এবং নীলগঙ্গা৷

এছাড়া দেখুন মানসবল হ্রদ৷ এক মাইল লম্বা, দেড় মাইল চওড়া মানসবল হ্রদ৷ সম্রাট শাহজানের ছোট মেয়ে রোশনারার প্রিয় ছিল হ্রদটি৷ শীতে পরিযায়ী পাখির মেলা বসে এখানে৷ এছাড়া অবশ্যই দেখুন উলার হ্রদ৷ ১৮৫০ মিটার উঁচুতে ৩০ মিটার গভীর ১২৫ কিলোমিটার আয়তনের ভারতের বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ উলার লেক৷ চারিদিকে পাহাড় ঘেরা শান্ত পরিবেশ৷ যাবেন নাকি তাই একবার স্বল্পপরিচিত যুসমার্গে?

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং