Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
wife with cops

প্রথম স্ত্রীর হাজিরায় ভেস্তে গেল দ্বিতীয় বিয়ে, পুলিশ দেখেই মণ্ডপ ছেড়ে পালাল বর

স্ত্রীর থেকে ১৫ লাখ টাকা না পেয়ে দ্বিতীয় বিয়ের আয়োজন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২, ১৬:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২, ১৬:৪৩

options
link
প্রথম স্ত্রীর হাজিরায় ভেস্তে গেল দ্বিতীয় বিয়ে, পুলিশ দেখেই মণ্ডপ ছেড়ে পালাল বর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুভদিনে জঘন্য কাণ্ড ঘটে গেল! সাধ করে দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়াই কাল হল যুবকের। আচমকা সেখানে হাজির প্রথম পক্ষের স্ত্রী। সঙ্গে আবার পুলিশ নিয়ে আসেন তিনি। বেগতিক বুঝে বিয়ের মণ্ডপ ছেড়ে বরবেশেই পালল বেচারা যুবক। হায়দরাবাদের (Hyderabad) এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অভিযুক্ত বরের খোঁজ পেতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চলা অভিযুক্ত যুবকের নাম সৈয়দ নাজির (Syed Nazeer)। প্রথমপক্ষের স্ত্রীর নাম ডাঃ সানা সামরিন (Sana Samreen)। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ড (New Zealand) থেকে ফেরার পরেই নাজিরের সঙ্গে বিয়ে সানার। এর কিছুদিন পর ২০২০ সালে কোভিডের প্রোকোপে আর কর্মস্থল নিউজিল্যান্ডে ফিরতে পারেননি নাজির। এরপর থেকে মূলত চিকিৎসক স্ত্রীর আয়েই তাঁর দিন চলছিল। এর মধ্যেই তিনি আচমকা ১৫ লাখ টাকা দাবি করে বসেন স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের কাছে। তাঁরা তা দিতে অস্বীকার করতেই সানাকে এড়িয়ে যাওয়া শুরু করেন নাজির, এমনটাই অভিযোগ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ধানবাদের স্বর্ণ ঋণ প্রদানকারী সংস্থায় ডাকাতের হানা, পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত ১ দুষ্কৃতী]

এর মধ্যে গত ৪ সেপ্টেম্বর সাধ করে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিড়িতে বসেছিলেন সৈয়দ নাজির। আর সেখানেই কিনা হাজির হয় প্রথমপক্ষের স্ত্রী। আসলে বিয়ের কথা জানতে পারার পড়েই স্বামীকে হাতেনাতে ধরতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই বিয়ের আসরে হাজির হয়েছিলেন স্ত্রী। স্ত্রী ও পুলিশকে দেখামাত্র আত্মরাম খাঁচাছাড়া হয় নাজিরের। দ্বিতীয় বিয়ে মাথায় ওঠে তাঁর। সুযোগ বুঝে বিয়ে বাড়ির পেছনের গেট দিয়ে পালিয়ে যায় সৈয়দ নাজির।

[আরও পড়ুন: তিস্তার জল অধরাই, তবু হাল ছাড়তে নারাজ হাসিনা, মোদির সঙ্গে বৈঠকে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর]

সানা জানিয়েছেন, টাকা দাবিতে তাঁকে হেনস্তা করত নাজির। এরপরেই তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। আরও বলেন, “আমি একজন চিকিৎসক। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় আমি নাজিরের কাকাকে মারণ রোগ থেকে অনেক চেষ্টাতে বাঁচাতাে সক্ষম হই। তাছাড়া লকডাউন চলাকালীন স্বামীর জন্যই আমার সমস্ত জমানো অর্থ খরচ হয়েছে। এরপরও সে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়েছিল। বাধ্য হয়ে পুলিশ নিয়ে হাজির হই আমি। এই খবর চাউর হতেই সানার পাশে দাঁড়িয়েছেন অধিকাংশ মানুষ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.