২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক স্থান থেকে অন্যস্থানে খুব দ্রুত একটা তথ্য পাঠাতে হবে, কী করেন আপনি? নিশ্চয়ই ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্য কোনও সোশ্যাল মাধ্যমের সাহায্য নেন৷ কিন্তু আজ থেকে প্রায় দু’দশক আগে তো ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপের বহর ছিল না৷ তবে সাধারণ মানুষ তখন কী করতেন? উত্তর হল, স্পিড পোস্ট৷ তখন দ্রুত যেকোনও তথ্য পাঠাতে সকলে স্পিড পোস্ট ব্যবহার করতেন সকলে৷

[ আরও পড়ুন: সাহিত্য মেলার মঞ্চে চটুল নাচ, বিভূতি স্মরণে অপসংস্কৃতির নজির বনগাঁয় ]

ঠিক যেমনটা করেছিলেন রায়গঞ্জ শহরের সুদর্শনপুর এলাকার বাসিন্দা তুহিনশংকর চন্দ৷ কিন্তু ভাগ্য তার সহায় হয়নি৷ নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছায়নি তাঁর প্রেরিত সেই চিঠি৷ ফলে চিঠি পৌঁছনোর আশা, ছেড়েই দিয়েছিলেন৷ কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ বুধবার, ডাক বিভাগ থেকে তাঁর ফোনে আসা একটা এসএমএস দেখে ঘাবড়ে যান অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মচারী তুহিনশংকর চন্দ৷ দেখেন, ২০০০ সালে যে স্পিড পোস্ট তিনি পাঠিয়েছিলেন, তা গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছে৷ এবং সেই এসএমএস’ই ঢুকেছে তাঁর ফোনে৷

[ আরও পড়ুন: আগমনিতে নতুন পোশাকের গন্ধ পাবে ওরাও, আসানসোলে চালু বস্ত্র ব্যাংক ]

তিনি জানান, ২০০০ সালের পয়লা জানুয়ারি রায়গঞ্জ মুখ্য ডাকঘর থেকে চিঠিটি পাঠান৷ তবে কাকে পাঠিয়েছিলেন, চিঠিতে কী লিখেছিলেন, তা এখন মনে করতে পারছেন না তুহিন বাবু৷ তাঁর কথায়, ‘‘কি পোস্ট করেছিলাম, তাই এখন আর মনে করতে পারছি না। উনিশ বছর আগে চিঠি লিখেছিলাম৷ আজ স্পিড পোস্টে তা গন্তব্যে পৌঁছল৷’’ তিনি জানান, এই প্রথম নয়, এর আগেও ডাক বিভাগের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শিকার হয়েছেন তিনি৷ অভিযোগ জানিয়েও কাজের কাজ হয়নি৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং