Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Annapurna Base Camp

সাইকেলে দুর্গম পথ পাড়ি, সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্পে তারকেশ্বরের ঐন্দ্রিলা

এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৫, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৫, ১৯:০৪

options
link
সাইকেলে দুর্গম পথ পাড়ি, সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্পে তারকেশ্বরের ঐন্দ্রিলা zoom

সুমন করাতি, হুগলি: গভীর রাতে মেয়েরা অসুরক্ষিত! একথা অনেকেই মনে করেন। সেই মনোভাবকে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণ করে বিশ্বের কনিষ্ঠ মহিলা সাইক্লিস্ট হিসাবে নজির গড়লেন তারকেশ্বরের ঐন্দ্রিলা আঢ্য। একটি নয় দু’টি বেস ক্যাম্প জয় করে ফিরলেন তিনি। ছুঁয়ে এলেন অন্নপূর্ণা ও মাউন্ট ফিশ টেল ক্যাম্প। একা রাস্তায় বেরোলে মেয়েদের যাতে নিরপত্তাহীনতা না ঘিরে ধরে তা বোঝাতেই এই সফর।

তারকেশ্বরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঐন্দ্রিলা। এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। ভালো নম্বর পেয়ে পাশও করেছেন। ফলাফল প্রকাশের আগে সোমবার বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। গত ২২ মার্চ সাইকেল নিয়ে একাই বেরিয়ে পড়েন এই অষ্টাদশী। গত ১৭ এপ্রিল প্রথমে মাউন্ট ফিশ টেল বেস ক্যাম্প জয় এবং পরের দিন, ১৮ এপ্রিল অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প জয় করে সে। দু’টি বেস ক্যাম্প জয় করে ৫ মে রাত আটটা নাগাদ তারকেশ্বরে পৌঁছে প্রথমেই পরিবারের সঙ্গে তারকেশ্বর মন্দির দর্শন করে ঐন্দ্রিলা। ঐন্দ্রিলার এই বিশ্ব রেকর্ডে খুশি তার পরিবার ও তারকেশ্বরবাসী।

Advertisement

As a youngest female cyclist aindrila at Annapurna Base Camp

কিন্তু কেন এই যাত্রা? শুধুমাত্র পর্বতপ্রেমী হিসাবেই বেরিয়ে পড়েছিলেন এই দুর্গম পথ। ঐন্দ্রিলার দাবি, মেয়েরা যাতে একা একা বাইরে বেরিয়ে সুরক্ষিত থাকে, সেই বার্তাই সে সমাজকে দিতে চেয়েছে। তিনি বলেন, “আজকের দিনে মেয়েদের ঘর ও বাইরে দুজায়গায় সামলাতে হয়। অনেক কাজে সময় দিতে হয়। ঘরের কাজ বা কর্মক্ষেত্রের জন্য বাড়ির বাইরে বেরত হয় মেয়েদের। অনেক ক্ষেত্রে মহিলারা নিরাপত্তার অভাবে ভোগেন। তার অবশ্য কারণও রয়েছে। একা এতটা পথ সাইকেল নিয়ে গিয়ে মেয়েদের সাহসী হওয়ার বার্তা দিতে চেয়েছি।” ঐন্দ্রিলার মা রুমা আঢ্য ও বাবা শম্ভূনাথ আঢ্য জানান, খুবই গর্বিত আমরা।একদেড় মাস ও বাইরে ছিল। মন খারাপ লাগছিল। অনেক কষ্ট করেছে মেয়ে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.