Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
দশ লক্ষ টাকার মালিক ভিক্ষুক

ভিক্ষুকের ঘর থেকে উদ্ধার দেড় লক্ষ টাকার কয়েন, ব্যাংকে গচ্ছিত আরও সাড়ে আট লাখ!

হতবাক পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১২:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১২:৩১

options
link
ভিক্ষুকের ঘর থেকে উদ্ধার দেড় লক্ষ টাকার কয়েন, ব্যাংকে গচ্ছিত আরও সাড়ে আট লাখ! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজার ঘরে যে ধন আছে… আমার ঘরেও সে ধন আছে। রাজা আর পাখির সেই গল্প যেন বাস্তবের মাটিতে। মুম্বইয়ে এক ভিক্ষুক কিনা দশ লক্ষ টাকার মালিক। তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে দেড় লক্ষ টাকার কয়েন। বিভিন্ন ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটে জমা আরও আট লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট সম্পত্তি কমবেশি দশ লক্ষ টাকা। যা দেখে হতবাক মুম্বই পুলিশ। যদিও, জীবদ্দশায় এই সম্পত্তি ভোগ করতে পারেননি ওই ভিক্ষুক।

[আরও পড়ুন: পর্তুগালের এই সেতুটির নাম ‘শয়তানের ব্রিজ’, কেন জানেন?]

সম্প্রতি মুম্বইয়ের গোভান্ডি স্টেশনের কাছে ট্রেনে কাটা পড়েন এক ভিক্ষুক। তাঁর দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। প্রথমে শনাক্ত করাই কঠিন হচ্ছিল। পরে জানা যায় ওই ভিক্ষুকের নাম বিরজু চন্দ্র আজাদ। এই ঘটনা গত ৪ অক্টোবরের। অনুসন্ধান করে পুলিশ জানতে পারে, তিনি স্টেশনের কাছেই এক ঝুপড়িতে থাকতেন। এলাকাবাসীর সাহায্যেই বিরজু চন্দ্র আজাদের দেহ শনাক্ত করে মুম্বই পুলিশ। তারপরই তাঁর আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ খবর নিতে বিরজুর ঝুঁপড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে গিয়েই তাজ্জব হয়ে যান আধিকারিকরা।

Advertisement

Coin

[আরও পড়ুন: আত্মঘাতী ব্যক্তির দেহ নিতে মর্গে হাজির সাতজন স্ত্রী, হতবাক প্রশাসন ]

বিরজুর ঝুপড়িতে গিয়ে দেখা যায় যেন রাজকোষ। সারি সারি বালতিতে জমানো রয়েছে কয়েন। যা যক্ষের ধনের মতো আগলে রেখেছিলেন বিরজু। কয়েকটি বালতিতে জমানো সেই কয়েন আবার অনেক পুরনো। কোনও কোনওটাতে মরচেও লেগেছে। মনে করা হচ্ছে ষাটোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধি কয়েক দশক ধরে ভিক্ষাবৃত্তি করতেন এবং টাকা জমিয়ে রাখতেন। বিরজুর ঝুপড়িতে থাকা ওই কয়েন গুণতে আট ঘণ্টা কেটে যায় পুলিশের। দেখা যায় মোট দেড় লক্ষ টাকার কয়েন সঞ্চিত রয়েছে। পুলিশ আরও তাজ্জব হয়ে যায় ওই ঝুপড়িতে পাওয়া ব্যাংকের কাগজপত্র দেখে। তাতে দেখা গিয়েছে, একাধিক ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিটে আরও সাড়ে আট লক্ষ টাকা জমা রয়েছে বিরজুর। সব মিলিয়ে মোট ১০ লক্ষ টাকার মালিক তিনি। যা রীতিমতো হতবাক করে পুলিশকে। আপাতত বিরজুর সব টাকা পুলিশের জিম্মায়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের খোঁজ করা হচ্ছে। তাঁদের সন্ধান পাওয়া গেলে ওই টাকা বিরজুর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে মুম্বই পুলিশ সূত্রের খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.