Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Durgapur

ভালোবাসার কাছে গোহারা ব্যাধি! হাসপাতালে ওয়ার্ডের মধ্যেই বিয়ে সারলেন অমিত-সুচরিতা

হেপাটাইটিসে আক্রান্ত সুচরিতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৪, ১২:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৪, ১২:১৬

options
link
ভালোবাসার কাছে গোহারা ব্যাধি! হাসপাতালে ওয়ার্ডের মধ্যেই বিয়ে সারলেন অমিত-সুচরিতা zoom
নিজস্ব ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর: অসুস্থ না হলে কেউ হাসপাতালে আসেন না। অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন বটে। তবে কারও কারও শেষকালের ঠিকানা হয় এই হাসপাতাল। ফলে ওষুধ-ইঞ্জেকশনের মধ্যে দুঃখের গন্ধ পান অনেকে। যদিও দিল্লির বাসিন্দা পাত্র অমিত এবং পাত্রী সুচরিতা আনন্দে বদলে দিলেন সেই হাসপাতাল চত্বরকে। অন্তত কিছুক্ষণের জন্যে। এমনকী কঠিন রোগ বাধা হতে পারল না!

শনিবার আড়াই বছরের ভালবাসার পূর্ণতা পেল দুর্গাপুরের (Durgapur) একটি বেসরকারি হাসপাতালে। দিল্লির বাসিন্দা অমিত মুখোপাধ্যায় কর্মসূত্রে দুর্গাপুরে এসেছিলেন প্রায় আড়াই বছর আগে। তখনই তাঁর এক বন্ধুর বান্ধবী সুচরিতা পাত্রের সঙ্গে দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে আলাপ হয়েছিল। ধীরে ধীরে পরিচয় গাঢ় হয়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক। শনিবার, ২ মার্চ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ওঁরা। বিষয়টা মোটেই সোজা ছিল না। বিশেষত অমিতের জন্যে।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: মোদি বারাণসীতেই, ভোট ঘোষণার আগেই ১৯৫ আসনের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ বিজেপির]

বিয়ের একদিন আগে ছেলের পরিবারকে জানানো হয় পাত্রী সুচরিতা হেপাটাইটিসে (জন্ডিস) আক্রান্ত। গুরুতর অবস্থায় দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। যদিও গভীর প্রেমের সম্পর্কে বাধা হতে পারেনি কঠিন ব্যাধি। অমিত জানান, সুচরিতাকেই বিয়ে করবেন। শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে হাসপাতালের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডেই শনিবার সন্ধ্যায় শাস্ত্র মতে পুরোহিতের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন অমিতও সুচরিতা৷

 

[আরও পড়ুন: গম্ভীরের পর এবার যশবন্ত সিনহার ছেলে, নির্বাচনী রাজনীতি থেকে অব্যাহতি চান বিজেপি সাংসদ]

এই বিয়েতে খুশি পাত্র-পাত্রীর পরিবারও। অমিত, সুচরিতা এবং তাঁদের পরিবারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুই পরিবারের প্রতি সাধ্য মতো সহযোগিতার হাত বাড়ান হাসপাতালের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা। হয়তো এভাবেই জেতে ভালোবাসা! মনে করিয়ে দেয়, নশ্বর জীবনই শেষ কথা নয়। দুঃখের গন্ধের পাশাপাশি আনন্দের গন্ধও আছে জগতে। তাকে কেবল চিনে নিতে হয়।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.