সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাতবিরেতে উৎপাতের শেষ নেই। সেই উৎপাত কোনও অবাধ্য তরুণ কিংবা তরুণীর হতে পারে, আবার উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসকেরও হতে পারে। তিনি আবার মদ্যপ অবস্থায় পুলিশের গাড়ি নিয়ে পালিয়েও যেতে পারেন। ভাবছেন, শাহিদ কাপুর (Shahid Kapoor) অভিনীত ‘কবীর সিং’ সিনেমার মতো কোনও কল্পকাহিনি বলছি? না, এ ঘটনা ঘোর বাস্তব চেন্নাইয়ের রাস্তায়। আর এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন ডা. এ মুত্থু গণেশ (Dr. S Muthu Ganesh) নামের এক চর্ম বিশেষজ্ঞ।
প্রতি রাতের মতোই চেন্নাইয়ের পুজাল এলাকার এক হাইওয়েতে পেট্রলিং করছিলেন চেন্নাই পুলিশের কর্মীরা। রুটিন চেকের জন্যই একটি গাড়ি থামানো হয়। চালককে ব্রেথ অ্যানালাইজারে ফুঁ দিতে বলা হয়। তা করতে রাজি হননি মুত্থু। এতেই পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা শুরু হয়। নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়ে সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁকে গাড়ি রাস্তার একপাশে রেখে অটো নিয়ে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
[আরও পড়ুন: OMG! প্রেমিকের গানের তালে তাল মেলাতে গিয়ে সাধের চুল পোড়ালেন গায়িকা, ভাইরাল ভিডিও]
তখনকার মতো চলে গেলেও প্রায় ঘণ্টাখানেক বাদে আবার ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন মদ্যপ চিকিৎসক। ফের পুলিশের সঙ্গে বচসা জুড়ে দেন। দাবি করেন, তাঁকে তাঁর গাড়িটি নিয়ে যেতে দিতে হবে। মদ্যপ যুবককে এড়িয়ে নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন পুলিশকর্মীরা। সেই সুযোগ নিয়ে পুলিশের গাড়ি নিয়ে চম্পট দেন ডা. এস মুত্থু গণেশ। অন্য গাড়ি নিয়ে মুত্থুর পিছু নেন পুলিশ কর্মীরা। কিছুটা দূরে গিয়ে দেখেন, গাড়িটি নিয়ে একটি অটোকে ধাক্কা মেরেছেন মদ্যপ চিকিৎসক। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতভর গারদে থাকার পর নেশা কাটে চিকিৎসকের। কিন্তু ততক্ষণে যা ঘটার তা ঘটে গিয়েছে। আপাতত পুজাল থানায় ঠাঁই হয়েছে চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালের চর্ম বিশেষজ্ঞর।

[আরও পড়ুন: দু’হাজার বছর আগেও ফাস্ট ফুডের রমরমা! রোম থেকে উদ্ধার ধ্বংসাবশেষ দেখে তাজ্জব ঐতিহাসিকরা]
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে