Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
স্বর্ণ সুড়ঙ্গ

এ যেন স্বর্ণভাণ্ডার! ইজরায়েলে ৮০০ বছরের পুরনো সুড়ঙ্গের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

ধর্মযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে লুঠ হওয়া ধন সম্পদের সিংহভাগেই এই স্বর্ণ সুড়ঙ্গে আছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৯, ১১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৯, ১১:০৮

options
link
এ যেন স্বর্ণভাণ্ডার! ইজরায়েলে ৮০০ বছরের পুরনো সুড়ঙ্গের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপুলা এই পৃথিবী। যার অনেক কিছুই এখনও অজানা। প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু নতুন আবিষ্কার, নতুন অনুসন্ধান সমৃদ্ধ করছে মানুষকে। এবারে এমনই এক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রাচীন ইজরায়েলের বিখ্যাত এক সুড়ঙ্গের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। মাটির তলায় লুকিয়ে থাকা ৮০০ বছরের পুরনো সেই সোনার সুড়ঙ্গ খুলে দিতে পারে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের রাস্তা।


ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফি চ্যানেলের গবেষক লিন ও তাঁর দলবল সম্প্রতি নাইটস টেম্পলার সিক্রেট টানেলের খোঁজ পেয়েছেন। যা কিনা ইজরায়েলের আকরে শহরে অবস্থিত। এই টানেলের কাহিনী নিয়ে ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফি চ্যানেলে একটি পর্ব সম্প্রচারও করা হয়েছে। এতদিন এই সুড়ঙ্গের কথা জানা থাকলেও তা ঠিক কোথায় আছে পুরোপুরি জানা ছিল না। এই প্রথম ৮০০ বছরের পুরনো সেই সুড়ঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানী লিন। তবে এই সুড়ঙ্গ মাটির ঠিক কতটা নীচে রয়েছে এবং তার বিস্তৃতি কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Gold
ইজরায়েলের একরি শহরে মাটির উপরে থাকা খ্রিস্টান ধর্মযোদ্ধাদের সদর দপ্তরের ধ্বংসস্তূপ এখনও রয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, এই দপ্তরের আশেপাশে ভাল করে খোঁড়াখুড়ি করলে ধর্মযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা অনেক সোনার ভাণ্ডার উদ্ধার করা যাবে। একদশ শতকে ধর্মযুদ্ধ বা ক্রুসেডের সময় খ্রিস্টান ধর্মযোদ্ধারা এই সুড়ঙ্গটি তৈরি করেন। এই গোপন সুড়ঙ্গ দিয়েই সোনাদানার মতো মূল্যবান সামগ্রী ইজরায়েলে ধর্মযোদ্ধাদের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হত। বিপদের সময় পালাতে এবং সেনাদের লুকিয়ে থাকার কাজেও লাগত এই সুড়ঙ্গ। ধর্মযোদ্ধাদের সদর দপ্তর যাতে খুঁজে না পাওয়া যায় সেকারণেই, মাটির অনেকটা নিচ দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুড়ঙ্গ। যা কিনা খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর।

Gold
বিজ্ঞানীদের ধারণা, একবার এই সুড়ঙ্গ কোথায় আছে, বা কতটা নীচে তার বিস্তৃতি সেসব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেলেই সেখান থেকে অজস্র সম্পদের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। ধর্মযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে লুঠ হওয়া ধন সম্পদের সিংহভাগেই এই স্বর্ণ সুড়ঙ্গে আছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.