সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট থেকে সাপের ব্যাঙ খাওয়ার কথা আমরা সবাই শুনেছি। গ্রামের মানুষরা নিজের চোখের সমানে তা ঘটতেও দেখেছে অনেকবার। কিন্তু, বিষাক্ত সাপকে গিলে খাচ্ছে একটি ব্যাঙ! এই ধরনের ঘটনা দেখা তো দূরের কথা, মনে হয় স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবেন না কেউ। কিন্তু, অবিশ্বাস্য সেই ঘটনাটিই ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ায়। গত ৪ তারিখ এই অবিশ্বাস্য ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়েছে।
ওই ছবিটি পোস্ট করে অস্ট্রেলিয়ার এক নাগরিক জ্যামি চ্যাপেল উল্লেখ করেছেন, সাপ ও কীটনাশক সংক্রান্ত তাঁর দুটি কোম্পানি আছে। তাই এই সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর কাছে ফোন আসে। সম্প্রতি এক মহিলা ফোন করে জানান, তাঁর এক প্রতিবেশীর বাড়ির পিছনের অংশে কোস্টাল তাইপান নামে মারাত্মক বিষধর একটি সাপ দেখতে পেয়েছেন তিনি। এই কথা শুনে ওই মহিলার বাড়িতে যান জ্যামি।
[আরও পড়ুন: OMG! বাড়ির কল খুললেই জলের পরিবর্তে মিলছে মদ ]
আর সেখানে যাওয়ার পরেই চোখ কপালে ওঠে তাঁর। কারণ, তিনি দেখতে পান বিশ্বের তিন নম্বর বিষধর সাপ হিসেবে পরিচিত কোস্টাল তাইপানকে গিলে খাচ্ছে গাছে বসবাসকারী একটি ব্যাঙ। বিষধর সাপটি তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ছোবল মারলেও কোনও হেলদোল নেই ওই সবুজ রঙের ব্যাঙটির (tree frog)। এরপর ওই ব্যাঙটিকে একটি কাচের জারে করে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসেন জ্যামি। পরে তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেন। যা দেখে শিউরে উঠছেন নেটিজেনরা। অনেকে আবার ওই ব্যাঙটির সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতেও চাইছেন।
[আরও পড়ুন: ধর্ষকের হাত থেকে তরুণীকে বাঁচাল করোনা ভাইরাস! কীভাবে জানেন? ]
জ্যামি আরও জানিয়েছেন, কোস্টাল তাইপান হচ্ছে এমন একটি বিষধর সাপ। যার ছোবল খেলে এক নিমেষে মৃত্যু হবে যে কোনও শক্তিশালী প্রাণীর। সেখানে ওই সাপটির একাধিক কামড় খেয়ে কী করে ব্যাঙটিকে তাকে গিলে খেল তাই তাঁর মাথায় ঢুকছে না। ব্যাঙটিকে পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি এই প্রশ্নের উত্তরও এখন খুঁজছেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
‘বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়’, তৃণমূলের সংবিধান তুলে ঋতব্রত-প্রশ্নে জবাব স্পিকারের
-
সময়ের ধুলো ঝেরে ঝকঝকে ঋত্বিকের কালজয়ী কীর্তি, লন্ডনে দেখানো হবে ‘অযান্ত্রিক’ সহ ৮ সিনেমা
-
১৫ বছর বয়সেই কোটি কোটি সম্পত্তি, নাবালক বৈভবকে কি আয়কর দিতে হয়?
-
দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট, হরমুজ হাহাকারে মিলবে জ্বালানি সমাধান?
-
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু, রোগভোগের পর না ফেরার দেশে ‘বীর বীরসা’র স্রষ্টা