Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Medical Student

চলন্ত ট্রেনে প্রসব বেদনা মহিলার, সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে সাহায্য করলেন মেডিক্যাল পড়ুয়া

দুরন্ত এক্সপ্রেসের কামরায় জন্ম নিয়েছে এক শিশুকন্যা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২, ১৪:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২, ১৪:২৯

options
link
চলন্ত ট্রেনে প্রসব বেদনা মহিলার, সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে সাহায্য করলেন মেডিক্যাল পড়ুয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলন্ত ট্রেনেই আচমকা প্রসব যন্ত্রণা শুরু হল এক অন্তঃসত্ত্বার। এহেন পরিস্থিতিতে কী করবেন, ভেবে পাচ্ছিলেন না অন্তঃসত্ত্বার পরিবার। কঠিন সময়ে দেবদূতের মতো এগিয়ে এলেন এক মেডিক্যাল পড়ুয়া (Medical Student)। নিপুণ হাতে মায়ের গর্ভ থেকে বের করে এনে সদ্যোজাতকে পৃথিবীর আলো দেখালেন তিনি। দুরন্ত এক্সপ্রেসের কামরার এই ঘটনার কথা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়। আপাতত মা এবং নবজাতক দুজনেই ভাল আছেন। মেডিক্যাল পড়ুয়ার এই কাজের জন্য তাঁকে বাহবাও দিচ্ছেন নেটিজেনরা।

মঙ্গলবার সেকেন্দ্রাবাদ-বিশাখাপত্তনম দুরন্ত এক্সপ্রেসে (Duronto Express) উঠেছিলেন ২৮ বছর বয়সি অন্তঃসত্ত্বা। চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই তাঁর প্রসব বেদনা শুরু হয়। সেই দেখে এগিয়ে আসেন কে স্বাতী রেড্ডি নামে এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। ভোররাতে প্রসব বেদনা শুরু হওয়ায় ট্রেনে প্রসব করানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে জীবনে প্রথমবার প্রসব করালেন স্বাতী। কন্যাসন্তানের জন্ম দেন ওই অন্তঃসত্ত্বা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বিশ্বাস করো, আর দুষ্টুমি করব না’, ম্যাডামের মানভঞ্জনে খুদে, ভিডিও দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা]

তবে প্রসবের পরে একটি স্টেশনে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। ট্রেন থামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মা ও সদ্যোজাতকে। সেখানেও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন স্বাতী। তিনিই দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসকদেরকে সমস্ত ঘটনা জানান। তারপরেই মা ও শিশুকন্যার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়ের আগেই জন্ম হয়েছে শিশুকন্যাটির। তবে ভাল আছেন মা ও সন্তান।

জীবনে প্রথমবার প্রসব করানোর আগে অবশ্য বেশ ভয় পেয়েছিলেন স্বাতী। তিনি বলেছেন, “প্রসব করানোর সময়ে অন্য চিকিৎসকদের সাহায্য করেছি। কিন্তু নিজে চলন্ত ট্রেনের কামরায় প্রসব করাতে গিয়ে বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। প্রায় ৪৫ মিনিট কেটে গেলেও শিশুটিকে বের করতে পারছিলাম না। তখন টেনশন আরও বেড়ে গিয়েছিল।” তবে সমস্ত বিপদ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত সুস্থভাবে জন্ম নিয়েছে শিশুকন্যা, এই ভেবেই খুশিতে ডগমগ স্বাতী। নবজাতকের পরিবারও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্বাতীকে।

[আরও পড়ুন: রূপান্তরকামী মহিলাকে ভালবাসেন স্বামী, জানতে পেরে যুবকের দ্বিতীয় বিয়ের ব্যবস্থা স্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.