সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চুরি করে যদি দৈনিক লক্ষ টাকা আয় হয়। চোর যদি ধরাও না পড়ে। তাহলে তো আনন্দের সীমা নেই! তেমনটাই চলছিল মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Miami International Airport)। সম্প্রতি সেখানে দুজন ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্মীকে যাত্রীদের ব্যাগ থেকে নগদ টাকা চুরি করতে দেখা গিয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই দৃশ্য। এই ঘটনাকে রক্ষক ভক্ষকও বলা যায়। কেন?
কারণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তার খাতিরে লাগেজ পরীক্ষা করেন যাঁরা, সেই নিরাপত্তারক্ষীরাই যাত্রীদের লাগেজ থেকে টাকা চুরিতে অভিযুক্ত হয়েছেন। ঘটনাটি ২৯ জুনের। ভাইরাল ভিডিওতে অপকর্ম করতে দেখা গিয়েছে ২০ বছর বয়সি জসু গঞ্জালেস এবং তেত্রিশ বছরের লাবারিয়াস উইলিয়ামসকে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক্স-রে মেশিনের ভিতর দিয়ে চেক হয়ে বেরোচ্ছে যাত্রীদের ওয়ালেট এবং পার্স। সেখানেই দাঁড়িয়ে জসু এবং লাবারিয়াস। তাঁরা ব্যাগ খুলে টাকা বের করে নিচ্ছেন।
TSA Agents caught on surveillance video stealing hundreds of dollars in cash from passengers’ bags at Miami airport. pic.twitter.com/LhFW9yNRNV
— Mike Sington (@MikeSington) September 13, 2023
[আরও পড়ুন: পার্কিং নিয়ে ঝামেলার জের, বাড়িতে ঢুকে স্ত্রী-ছেলের সামনে কুপিয়ে খুন যুবককে]
লোভ বাড়লে ঝামেলাও বাড়ে। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন যাত্রী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন, তাঁদের ব্যাগ থেকে টাকা ও মূল্যবান জিনিস খোয়া গিয়েছে। তদন্ত নেমে গত জুলাই মাসে ভিডিওতে যাঁদের দেখা গিয়েছে, সেই দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে এলিজাবেথ ফস্টার নামে আর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে তাঁরা। জানা গিয়েছে, দিনে গড়ে ১ হাজার ডলার চুরি করত অভিযুক্তরা। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় লাখখানেক টাকা।
[আরও পড়ুন: ইন্ডিয়া জোটে ডাক না পেয়ে ‘অভিমান’! তৃতীয় ফ্রন্ট গড়ার আহ্বান ওয়েইসির]
সর্বশেষ খবর
-
‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’, কল্যাণ ও রাজ্যের এজির বাকবিতণ্ডায় হাই কোর্টে তুলকালাম
-
ব্রিগেডে ৩ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমে হবে রামকথা! গীতাপাঠের পর নতুন কর্মসূচি শহরে
-
পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের
-
অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সইফের জীবনে ‘ওগো বিদেশিনী’! ‘ঘর ভাঙানি’র ভূমিকায় করিনা?
-
গান্ধীর সঙ্গে হাজতবাস, ১০০ বছর বয়সেও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন কলকাতার বিপ্লবী সইফউদ্দিন