Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Myanmar

সেনার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে একমনে নাচে মগ্ন মায়ানমারের সাহসিনী! ভাইরাল ভিডিও

ভিডিওটি দেখলে মুগ্ধ হয়ে যাবেন আপনিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১, ১৮:৩০

options
link
সেনার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে একমনে নাচে মগ্ন মায়ানমারের সাহসিনী! ভাইরাল ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছরের শুরুতে সেনা অভ্যুত্থানের মতো ঘটনায় আপাতত গোটা বিশ্বের নজরে মায়ানমার (Myanmar)। বন্দি সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান আং সান সু কি (Aung San Suu Kyi)। সেনার হাতে বন্দি হচ্ছেন দেশের সাধারণ নাগরিকও।আতঙ্কে কাটাচ্ছেন সকলে।এই অবস্থায় মায়ানমারেরই এক সাহসিনীর কীর্তি ঠিক উলটো। সেনা রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ওই তরুণী ঠিক মায়ানমারের পার্লামেন্ট ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে একমনে নেচে চলেছেন! শরীরের প্রত্যেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের দোলায় কোথাও কোনও ভয়ের চিহ্নমাত্র নেই। তাঁকে দেখে মনেই হচ্ছে না, দেশ এত বড় একটা সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। আপাতত ওই তরুণীর ভিডিও ভাইরাল নেটদুনিয়ায়। অকম্পিত, অবিচল মেয়েটিকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সকলে।

চারপাশে ঘিরে রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি, ট্যাঙ্ক। পার্লামেন্ট ভবন দখলে নিয়েছে সেনা। ত্রিসীমানায় ঘেঁষার উপায় নেই। এই থমথমে পরিবেশের মাঝেই একেবারে অন্যরকম ছবি। পার্লামেন্ট বরাবর সোজা রাস্তা, যেখানে নিরাপত্তার কড়া বেষ্টনী, সেখানে দাঁড়িয়েই একমনে নিজের কাজ করে চলেছেন খিং নিন ওয়াই নামে এক তরুণী। পেশায় তিনি শারীর শিক্ষার শিক্ষিকা। স্পোর্টস সুট পরে এরোবিক্সের (Aerobics) নানা ভঙ্গিমা করছেন তিনি। কাউকে গ্রাহ্য নয়, নয় কোনও তাড়াহুড়ো। ইন্দোনেশিয়ার গান ‘আমপুন বাং জাগো’ – এই গানের সঙ্গে একেবারে রোজকার স্বাভাবিক ছন্দে চলছে অনুশীলন। সোশ্যাল মিডিয়ায় টানা ৩ মিনিটের সেই ভিডিওই ঝড় তুলেছে। মায়ানমার সেনার অত্যাচারের ভয়াবহতা ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন তরুণী।

[আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য! আধঘণ্টা মাটির নিচে চাপা থেকেও প্রাণে বাঁচল যুবক, কীভাবে জানেন?]

খিং নিজেও জানেন না যে তিনি এই মুহূর্তে কতটা জনপ্রিয় হয়েছেন। জানার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, ”কয়েকদিন আগেও আমি এই জায়গায় অনুশীলন করতাম। আজ হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে বলে কেন আমি রোজকার কাজকর্ম পালটে ফেলব?” কিন্তু এই পরিস্থিতি বদল আর পাঁচটা সাধারণ পরিস্থিতির মতো নয়। এ যে মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিত! ফের মায়ানমারের অন্ধকার দিনগুলো ফেরার মুহূর্ত আসন্ন! নাহ, সেসবের দিকে ভ্রূক্ষেপ নেই এই শিক্ষিকার। আপন জগতে নিজেই মগ্ন সে।

[আরও পড়ুন: উচিত শাস্তি! আকাশে উড়ন্ত পাখিকে দেখে গুলি চালালেন ব্যক্তি, তারপর…]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.