Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

সদ্যোজাতের নাম মিরাজ রাখলেন রাজস্থানের দম্পতি

ছেলে বড় হলে সেনাবাহিনীতে পাঠাতে চান মিরাজ রাঠোরের বাবা-মা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ১২:১৫

options
link
সদ্যোজাতের নাম মিরাজ রাখলেন রাজস্থানের দম্পতি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলওয়ামার অবন্তিপোরায় জঙ্গি হামলার পর রাগে ফুঁসছিল গোটা দেশ। পাকিস্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে চাইছিল আট থেকে আশি। মঙ্গলবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর সেই আশা পূরণ হয়েছে মনে করে আনন্দে মেতে ওঠেন সবাই। বায়ুসেনাকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি শুরু করেন ড্রাম বাজিয়ে নাচগান। ভারত মাতার জয়ধ্বনি দিতে দিতে পোড়াতে থাকেন আতশবাজি। দিল্লিতে তো এক অটোচালক ভাড়া না নিয়েই গন্তব্যে পৌঁছে দেন সওয়ারিদের। কেউ আবার ১০ টাকার চা বিক্রি করেন পাঁচ টাকায়। মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানিতে বিয়ে করতে যাওয়া সময় তেরঙ্গা পতাকা হাতে রাস্তায় নাচতে শুরু করেন এক যুবক।

কিন্তু, এই সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে রাজস্থানের আজমেরের নাগুর এলাকার এক দম্পতি। পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ ট্রেনিং ক্যাম্পে যখন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা ঠিক তখনই জন্ম নেয় তাঁদের শিশুপুত্র। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ভোর রাতেই প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন মহাবীর সিং রাঠোরের স্ত্রী সোনম। আর মিরাজ ২০০০ যখন জইশ-ই-মহম্মদের ট্রেনিং ক্যাম্পে বোমা ফেলছে তখনই সন্তান প্রসব করেন তিনি। তারপরই এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে নিজেদের সদ্যোজাত শিশুপুত্রের নাম মিরাজ রাঠোর রাখার সিদ্ধান্ত নেন মহাবীর ও সোনম। পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানোর পর তাঁরাও সানন্দে সমর্থন করেন এই প্রস্তাব। রাঠোর দম্পতির কথায়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে মিরাজের অবদান সারাজীবন মনে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের সন্তান বড় হলে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য তাকে উৎসাহিত করবেন বলেও জানান।

Advertisement

[পাক হামলার জবাব দিতে ফের সেনাকে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ দিলেন প্রধানমন্ত্রী]

১৯৮৫ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় জায়গা পেয়েছিল মিরাজ ২০০০। এরপর ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় বহুমুখী এই বিমানের ব্যবহার করে লেজার গাইডেড বোমা ফেলে সীমান্তের পাশে থাকা পাকিস্তানের অনেক লুকোনো বাঙ্কার ধ্বংস করে ভারতীয় বায়ুসেনা। আর গত মঙ্গলবার পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার বদলা নিতে পাকিস্তানে থাকা জইশ-ই-মহম্মদের তিনটি ঘাঁটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে ১২টি মিরাজ ২০০০ ফাইটার জেট। এর ফলে জইশ-এর পাঁচ শীর্ষ নেতা-সহ প্রায় ৩০০ জঙ্গি খতম হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.