Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Nose ring found from fish

মাছে কামড় দিতেই বেরিয়ে এল আস্ত নাকছাবি! তাজ্জব আসানসোলের বাসিন্দা

ভোলা মাছের পেট থেকে বেরিয়ে এল আস্ত নাকছাবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩, ২১:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৩, ২১:১৪

options
link
মাছে কামড় দিতেই বেরিয়ে এল আস্ত নাকছাবি! তাজ্জব আসানসোলের বাসিন্দা zoom

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: গরম ভাতের সঙ্গে মাছে কামড় দিতেই পাতে পড়ল নাকছাবি। নাড়াচাড়া করতেই ভোলা মাছের পেট থেকে বেরিয়ে এল আস্ত নাকছাবি। উল্লাসিত আসানসোলের রূপনারায়ণপুরের সীমান্ত পল্লির বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও তার পরিবার।

নরম মাছে কামড় দিতেই কাঁকড় বা অন্য কিছু ভেবে বিরক্ত হয়েছিলেন আসানসোলের রূপনারায়ণপুরের সীমান্ত পল্লির বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু যখন মুখ থেকে ঝরে পড়ল সোনার নাকছাবি তখন বিস্মিত না হয়ে উপায় ছিল না। রূপনারায়ণপুর বাজার থেকে ৫০০ গ্রাম ভোলা মাছ কিনে বাড়ি ফিরেছিলেন চিত্তরঞ্জন কেজি হাসপাতালের কর্মী কৃষ্ণেন্দুবাবু। বাড়িতে সরষে দিয়ে মাখামাখা করে সেই মাছ রান্না হয়। এরপর জমিয়ে খেতে বসেই বিস্ময়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার রোবট নার্স করবে সেবা! বাংলার কোন বেসরকারি হাসপাতালে মিলবে পরিষেবা?]

কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, “গল্পে পড়েছি মাছের পেট থেকে সোনার আংটি বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু নিজের জীবনে এরকম দেখতে পাবো ভাবতে পারিনি।” কৃষ্ণেন্দুবাবু জানান আশ্চর্য এই প্রাপ্তি স্মারক হিসেবে রেখে দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, পৌরাণিক কাহিনিতে রুই মাছের পেট থেকে সোনার আংটি পেয়ে হারানো পরিচিতি ফিরে পেয়েছিলেন শকুন্তলা আর রূপনারায়ণপুরে কৃষ্ণেন্দুবাবু পেলেন বিস্ময়ের খোঁজ।

[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগই লক্ষ্য, ‘দিদির দূত’ হয়ে গ্রামে গ্রামে শোভনদেব-সৌগত-জুন-শতাব্দী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.