Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী মোদি আর ধোনি! অ্যাডমিট কার্ড দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া

অনলাইনে অ্যাডমিট কার্ডের আবেদনপত্র পূরণ করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২, ১০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২, ১০:৩০

options
link
বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী মোদি আর ধোনি! অ্যাডমিট কার্ড দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিএ তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় বসতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)! অবশ্য তিনি একা নন, তাঁর মতো ওই একই পরীক্ষায় বসার অনুমতি চেয়েছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনিও (MS Dhoni )! ভাবছেন এসব কী? এসবই হল বিহারের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এ তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড। তাতেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতীয় ক্রিকেট টিমের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ছবি ছাপা হয়েছে। 

Bihar-Admit

Advertisement

জানা গিয়েছে, বিহারের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। তার জন্য পরীক্ষার্থীদের অনলাইনে অ্যাডমিট কার্ডের আবেদনপত্র পূরণ করতে বলেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমস্ত আবেদনপত্র জমা পড়লে তাতে অনুমোদন দিতে গিয়ে আধিকারিকরা কয়েকজন আবেদনকারীদের ছবি দেখে চমকে যান। কারণ পরীক্ষার হলে ঢোকার অনুমতিপত্রে পরীক্ষার্থীদের ছবির জায়গায় জ্বলজ্বল করছিল দেশের প্রধানমন্ত্রী ও  ভারতীয় ক্রিকেট টিমের প্রাক্তন অধিনায়কের ছবি।

[আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফেরানো সম্ভব নয়’, আজাদের গলায় বিজেপির সুর?]

শুধু তাই নয়, রাজ্যের রাজ্যপাল ফাগু চৌহানেরও ছবি রয়েছে একটি আবেদনপত্রে। ঘটনাটি কিছু পরীক্ষার্থীরই কুকীর্তি অনুমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। ক্ষুব্ধ কর্তৃপক্ষ এমন কাজ বরদাস্ত করবে না বলেই জানিয়ে দেয়।  এ বিষয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমেই বিষয়টি নজরে আসে। প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রদের নামও জানতে পেরেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, বিহারের মধুবনি, সমস্তিপুর, বেগুসরাই জেলার বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন বলে খবর। প্রত্যেকটি কলেজই ললিত নারায়ণ মিথিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিভুক্ত। যার সদর দপ্তর দ্বারভাঙায়। ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই রেজিস্ট্রার মুস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, এই ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুস্তাকের কথায়, ‘‘পরীক্ষার্থীদের অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়েছিল। যা আমাদের অ্যাডমিট কার্ড তৈরির ডেটা সেন্টারের প্রক্রিয়াকরণ করার কথা ছিল। কিন্তু কিছু পরীক্ষার্থী অনলাইনে ফর্ম পূরণের সুযোগ নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করেছেন। তাঁদের উপযুক্ত শাস্তি হবে।’’

[আরও পড়ুন: ‘গডসের নিন্দা করতে না পারলে বুঝব আপনারা জঙ্গি’, বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে চিঠি কুণাল কামরার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.