Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

প্রতিদিন নিজ হাতেই স্কুলের শৌচাগার পরিষ্কার করেন প্রধান শিক্ষক

নিয়মিত ক্লাসরুমও পরিষ্কার করতে দেখা যায় তাঁকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০১৮, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০১৮, ১৭:৫২

options
link
প্রতিদিন নিজ হাতেই স্কুলের শৌচাগার পরিষ্কার করেন প্রধান শিক্ষক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সকাল সকাল স্কুলে গিয়ে এই ব্যক্তিকে দেখলে চতুর্থ শ্রেণি কর্মী বলে ভ্রম হতে পারে। কারণ তিনি কাজটাই করেন সেরকম। স্কুলে গিয়ে সবার প্রথম তাঁর কাজ পড়ুয়াদের শৌচাগার পরিষ্কার করা। তাও নিজ হাতে। এই কাজে অন্য কারও সাহায্যও নেন না তিনি। মাইশোরের গুন্ডলুপেটের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বি মহাদেশ্বরা স্বামীকে এখন কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটদুনিয়া।

[OMG! দেশের বাজারে দেদার বিকোচ্ছে তৈমুরের মতো দেখতে পুতুল!]

প্রধান শিক্ষক মানে কার্যত স্কুলের সর্বময় কর্তা। প্রশাসনিক প্রধানও বলা যায়। ছাত্র পড়ানো, স্কুলের নথিপত্রের কাজ, এবং উপরমহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সাধারণত এগুলিই প্রধান শিক্ষকরা করে থাকেন। কিন্তু, গুন্ডলুপেটের বি মহাদেশ্বরা এসবের বাইরেও পালন করেন তাঁর নৈতিক কর্তব্য। স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের স্বচ্ছ্বতার পাঠ দিতে নিজ হাতে পরিষ্কার করেন তাদের টয়লেট। তাও একদিন দু’ দুদিন নয়, প্রতিদিন নিয়মিত এই কাজটি করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। শুধু শৌচাগার পরিষ্কার করেই ক্ষান্ত হন না। এরপর শুরু করেন স্কুল চত্বরের বাগানের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ। কোনও কোনও দিন ক্লাস রুমও পরিষ্কার করতে দেখা যায় তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকের এই কাজে মুগ্ধ স্থানীয়রা। অনুপ্রাণিত হচ্ছে পড়ুয়ারাও।

Advertisement

[একেই বলে প্রেম, কাঁধে গুলি খেয়েও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন বর]

মহাদেশ্বরা নিজে অবশ্য বিনয়ী। এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু দেখছেন না তিনি। তিনি জানান, আগের স্কুলেও নিয়মিত শিশুদের শৌচাগার পরিষ্কার করতেন তিনি। বদলির পর প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছেন, কিন্তু অভ্যেসটা বদলায়নি। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীদের স্বচ্ছ্বতার পাঠ দেওয়া সব শিক্ষকের নৈতিক কর্তব্য। সেই কাজে নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে চান মহাদেশ্বরা। শুধু শৌচাগার পরিষ্কার করাই নয়। নিজের সীমিত বেতন থেকে টাকা জমিয়ে স্কুলে আস্ত একটা লাইব্রেরিও বানিয়ে ফেলেছেন মহাদেশ্বরা। স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমান সমাজে মহাদেশ্বরাদের মতো শিক্ষকেরই প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.