সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পণের কারণে বিয়ে ভাঙা এ দেশে আকছার ঘটনা। এমনকী হবু বর মদ্যপ, এই অভিযোগেও ছাঁদনাতলায় বসতে নারাজ হয়েছেন পাত্রী। কিন্তু তা বলে রসগোল্লার জন্যও বিয়ে ভাঙতে পারে! মাত্র একটা রসগোল্লা নিয়ে বচসার জেরে উত্তরপ্রদেশে ঘটল সে ঘটনাই।
[ ‘আজান শুনতে দারুণ লাগে’, প্রিয়াঙ্কার ভিডিওয় সোনুকে জবাব নেটিজেনদের ]
ঘটনা লখনউ থেকে ৭০ কিমি দূরের কুরমাপুর গ্রামের। হবু কনের বাস সেখানেই। জানা যাচ্ছে, বেশ ধুমধাম করেই এসেছিল পাত্রপক্ষ। গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে তাঁদের স্বাগত জানায় কন্যাপক্ষ। আসতে সামান্য দেরি হয়েছিল বলে বরযাত্রীদের তাড়াতাড়ি খাওয়ার অনুরোধ করা হয়। তখনও বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়নি। এদিকে জনপিছু একটি করেই রসগোল্লা নাকি ধার্য করেছিল কন্যাপক্ষ। কিন্তু খেতে বসে বরের আত্মীয় দুটি রসগোল্লা চেয়ে বসেন। পরিবেশনকারী তা দিয়েও দেন। মিষ্টির স্টল সামলানোর দায়িত্বে যিনি ছিলেন, তিনি এ কাজে বেশ অসন্তুষ্ট হন। তাঁর অসন্তোষের কথা চাউর হয়ে যায় বরপক্ষের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে ফিরিয়ে দেওয়া হয় রসগোল্লা। মুহূর্তের মধ্যে বাধে বচসা। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই গোটা বিয়েবাড়ি রণক্ষেত্র হয়ে যায়। মারামারিতে ধুন্ধুমার বাধে। কনেপক্ষের দিকে খাবারের প্লেট ছুড়ে দেন ক্ষিপ্ত বরপক্ষের লোকেরা। একসময় গোটা মণ্ডপই ভেঙে পড়ে। এরই মধ্যে কেউ পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ আসেও। কোনওরকমে দু-পক্ষকে শান্ত করা হয়। স্থানীয়দের ডেকে বিবাদ মেটানোর চেষ্টাও করা হয়। এদিকে ছাদ থেকে পুরো ঘটনাই দেখছিলেন কনে। দেখছিলেন তাঁর হবু বরের বাড়ির ব্যবহার। বাবা ও আত্মীয়দের বেদম মার খেতেও দেখেছিলেন। এরপর বিয়ের পিঁড়িতে বসতে তিনি নিজেই অস্বীকার করেন। ফলে ভেস্তে যায় বিয়ে। শেষমেশ তরকারি মাখা জামাকাপড়ে নিজের গ্রামে ফিরে যান বরযাত্রীরা।
[ স্বাধীন হলে ‘শয়তান’ হবে নারীরা! যোগীর লেখা ঘিরে তীব্র বিতর্ক ]
বিয়ে তো হল না। এদিকে কনের বাবা স্থানীয় থানায় এক অভিযোগ দায়ের করেছেন। আপাতত তার ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।