Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

করোনা রুখতে গঙ্গাজলই ভরসা, সঙ্গে মন্ত্রপাঠ! আজব কাণ্ড যোগীরাজ্যের থানায়

স্যানিটাইজার নয়, এই থানায় এলে উপহার মিলবে গঙ্গাজলের বোতল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২১, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২১, ১৫:৫১

options
link
করোনা রুখতে গঙ্গাজলই ভরসা, সঙ্গে মন্ত্রপাঠ! আজব কাণ্ড যোগীরাজ্যের থানায় zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতিমারীর কবলে গোটা বিশ্ব। ভারতেও দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। থানার মতো বহু জনসমাগমের স্থানে স্যানিটাইজার ব্যবহার এখন চেনা ছবি। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মীরাটের (Meerat) নৌচান্দি থানায় এলে একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে আপনার। রীতিমতো মাথায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে কপালে চন্দনের ফোঁটা লাগিয়ে সেখানে মানুষকে ‘শুদ্ধ’ করে তোলা হয়!

শুনতে যতই অবিশ্বাস্য মনে হোক, থানার অফিসার প্রেমচন্দ শর্মা সেখানে এমনই ব্যবস্থা চালু রেখেছেন। থানায় ঢুকলেই চোখে পড়বে সারি সারি বোতলে রাখা গঙ্গাজল। গঙ্গাজল ছেটানোর পাশাপাশি ‘স্যানিটাইজেশন মন্ত্র’ও পড়া হয়। তারপর উপহার দেওয়া হয় এক বোতল গঙ্গাজল (Gangajal)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে থানার ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে, কেবল থানার আসা বহিরাগতরাই নন, থানার পুলিশকর্মীদের মাথাতেও চন্দনের ফোঁটা পরিয়ে দিচ্ছেন ওই অফিসার। এভাবেই করোনাকে রুখে মানুষের মনকে শান্ত করতে চান তিনি!

Advertisement

[আরও পড়ুন: গল্প দেব তো অল্প নয়! জিতলেই সবাইকে আইফোন, চাঁদে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি নির্দল প্রার্থীর]

নিজের চালু করা এই অভিনব পদ্ধতি নিয়ে অত্যন্ত খুশি সংশ্লিষ্ট অফিসার। কেবলমাত্র করোনা সংক্রমণ নিয়ে তিনি ভাবিত নন। প্রেমচন্দ শর্মা জানাচ্ছেন, তাঁর এই পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে মানুষের মধ্যে আক্রমণাত্মক ভাব অনেক কমেছে। প্রেমচন্দের কথায়, ”আমার এক্সপেরিমেন্ট সফল হয়েছে। মানুষ এখন আগের থেকে অনেক কম আক্রমণাত্মক। তাঁরা এখানে আসছেন ও শান্তভাবে অভিযোগ জানিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বলতে গেলে গোটা নৌচান্দি অঞ্চলই শান্ত হয়ে গিয়েছে। তা বলে থানায় দুষ্কৃতীদের পিছনে আমরা পদক্ষেপ করছি না তা নয়।”

প্রেমচন্দ শর্মার এহেন সব এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে অবশ্য কিছুই জানা নেই উপরমহলের। খবর পেয়ে পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট বিনীত ভটনাগর জানাচ্ছেন, এমন সব কাণ্ডের কিছুই জানা ছিল না তাঁর। তাঁর কথায়, ”প্রতিটি থানাতেই স্যানিটাইজার রাখা থাকে। আমি জানি না কেন ওখানে গঙ্গাজল ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি এসম্পর্কে কিছুই জানতাম না। অবশ্যই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

[আরও পড়ুন: এমনটাও সম্ভব! মাত্র ১৬৩ টাকার খাবার অর্ডার করে ৩ কোটি টাকা ঘরে তুললেন মহিলা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.